আদা বেটে বা পিষে নেওয়ার পর কেবল শুকনো শুকনো আঁশই পড়ে থাকে। রস বেরোয় না। ফলে রান্নায় আদার ঝাঁজ যোগ হয় না সঠিক ভাবে। আদা থেকে সম্পূর্ণ রস বার করার কয়েকটি সহজ উপায় জেনে নিন।
আমিষ বা নিরামিষ রান্না হোক মোটামুটি সব রান্নাতেই প্রায় আদার ব্যবহার আমরা করে থাকি। আদা হেঁসেলের খুব জরুরী একটি উপাদান। কিন্তু আদা বাটার পরে অনেকটা শুকনো হয়ে যায়।তাই থেঁতো করার পরও আদা শুকনো লাগলে, মসৃণ পেস্টের জন্য এর সাথে সামান্য লবণ, সামান্য জল বা তেল (যেমন সরষের তেল) এবং বিশেষত সামান্য চিনি মিশিয়ে বেটে নিন। চিনি আদার মধ্যে থাকা জলীয় অংশ বের করে আনতে সাহায্য করে। ফলে থেঁতো করা আদা শুকনো বা আঁশযুক্ত না হয়ে একদম মিহি পেস্টে পরিণত হয়, যা রান্নায় ব্যবহার করা সহজ হয়।
বিস্তারিত আলোচনা:
* কেন আদা শুকনো লাগে? আদা একটি কন্দ (Rhizome) এবং এর মধ্যে আঁশযুক্ত অংশ থাকে, যা থেঁতো বা বাটার সময় অনেক সময় শুষ্ক ও আঁশযুক্ত হয়ে যায়, বিশেষত যদি আদাটা একটু পুরনো বা কম রসালো হয়।
* যে যে উপকরণগুলো প্রয়োজন:
• লবণ: সামান্য লবণ দিলে আদার স্বাদ বাড়ে এবং থেঁতো করতে সুবিধা হয়। • জল বা তেল: খুব সামান্য জল বা রান্নার তেল (সর্ষের তেল বা অন্য কোনো ভেজিটেবল অয়েল) যোগ করলে মসৃণ পেস্ট তৈরি হয়। • চিনি (মূল উপকরণ): আদা বাটার সময় এক চিমটি চিনি মেশালে চিনি আদার জলীয় অংশকে আকর্ষণ করে এবং আদা নরম হয়ে সহজে মিহি পেস্টে পরিণত হয়, যা রান্নায় খুব ভালো মেশে এবং স্বাদও বাড়ায়।
* কীভাবে বানাবেন:
১. আদা ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন (যদি জৈব আদা না হয়)
২. কুচিয়ে বা থেঁতো করে নিন।
৩. এর সাথে এক চিমটি চিনি ও সামান্য লবণ মিশিয়ে নিন। ৪. প্রয়োজনে ১-২ ফোঁটা জল বা তেল দিয়ে মিহি করে বেটে নিন।
* উপকারিতা: এই পদ্ধতিতে তৈরি আদার পেস্ট একদম মসৃণ হয়, রান্নার সময় দলা পাকিয়ে থাকে না এবং সহজে অন্যান্য উপকরণের সাথে মিশে যায়। এটি রান্নার স্বাদ ও টেক্সচারকে উন্নত করে।


