Travel Tips: গরমের ছুটিতে ভিড় এড়িয়ে শান্তিতে দু’দিন কাটাতে চাইলে গাহুনবাড়ি হতে পারে পারফেক্ট ডেস্টিনেশন। চা বাগান আর ঘন জঙ্গলের মাঝে লুকিয়ে থাকা এই ছোট্ট গ্রামে পাবেন পাহাড়ি ঠান্ডা হাওয়া, পাখির ডাক আর একদম নিরিবিলি পরিবেশ। দু’দিনের ট্রিপেই শরীর আর মন দুটোই ফ্রেশ হয়ে যাবে। 

Travel Tips: গরম পড়তেই মাথায় ঘোরে পাহাড়ের কথা। কিন্তু দার্জিলিং-কালিম্পং-এ এখন ভিড় আর গরম দুটোই অসহ্য। তাই এবার একটু অফবিট খুঁজছেন তো গাহুনবাড়ি আপনার জন্য। ডুয়ার্সের প্রান্তে অবস্থিত এই ছোট্ট গ্রামটা এখনও পর্যটকদের কাছে অনেকটাই অজানা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

কী আছে গাহুনবাড়িতে:

এখানে একদিকে বিস্তীর্ণ চা বাগান, অন্যদিকে গরুমারা জঙ্গলের সবুজ। সকালে ঘুম ভাঙবে পাখির কিচিরমিচিরে আর সন্ধেয় শুনতে পাবেন ঝিঁঝির ডাক। রিসর্ট বা হোমস্টের বারান্দা থেকে চা বাগানের উপর দিয়ে মেঘ নেমে আসা দেখাটা এক আলাদা অভিজ্ঞতা।

দু’দিনের প্ল্যান কেমন হবে:

প্রথম দিন পৌঁছে ফ্রেশ হয়ে চা বাগানে হাঁটাহাঁটি করুন। স্থানীয় গ্রাম ঘুরে দেখুন আর রাতে বনফায়ারের সঙ্গে গরম চা-মোমো উপভোগ করুন।

দ্বিতীয় দিন সকালে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন গরুমারা জঙ্গল সাফারিতে। ভাগ্য ভালো থাকলে এক শৃঙ্গ গন্ডার বা হাতির দেখা মিলতে পারে। দুপুরে ফিরে স্থানীয় খাবার থুকপা বা নেওয়ারি থালি ট্রাই করতে ভুলবেন না।

কীভাবে যাবেন:

নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে গাহুনবাড়ির দূরত্ব প্রায় ৬৫ কিমি। গাড়িতে সময় লাগবে দেড় থেকে দু’ঘণ্টা। শিলিগুড়ি থেকেও গাড়ি ভাড়া করে চলে আসতে পারেন।

কোথায় থাকবেন:

গাহুনবাড়িতে কয়েকটা ভালো হোমস্টে আর ইকো রিসর্ট আছে। কাঠের কটেজে থাকার অভিজ্ঞতাটাই এখানকার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। আগেভাগে বুকিং করে নিলে চা বাগানের ভিউ রুম পেয়ে যাবেন।

কখন যাবেন:

এপ্রিল থেকে জুন গরমের ছুটির জন্য বেস্ট সময়। তখন চারপাশ সবুজ আর আবহাওয়াও মনোরম থাকে। তবে বর্ষায় জঙ্গলের রূপটাও দেখার মতো।

টিপস:

গাহুনবাড়ি এখনও পুরো কমার্শিয়াল হয়নি, তাই শান্তি খুঁজতেই এখানে আসুন। সঙ্গে হালকা গরম জামা আর ভালো জুতো রাখবেন, কারণ চা বাগানে হাঁটতে হবে। ফোনের নেটওয়ার্ক মাঝে মাঝে স্লো হতে পারে, সেটাকে ছুটির অংশ হিসেবেই নিন।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।