গুগলকে টেক্কা দেওয়াই লক্ষ্য স্যাম অল্টম্যানের সংস্থার। আর সেই লক্ষ্যে এগোতে এবার চ্যাটজিপিটি ট্রান্সলেট নিয়ে বিবৃতি দিল ওপেনএআই।
গুগলকে টেক্কা দেওয়াই লক্ষ্য স্যাম অল্টম্যানের এই সংস্থার। আর সেই লক্ষ্যে এগোতে এবার চ্যাটজিপিটি ট্রান্সলেট নিয়ে বিবৃতি দিল ওপেনএআই। জানা গেছে, এই ট্রান্সলেশন টুলের লক্ষ্যই হলো এমন এক পরিষেবা, যার সাহায্যে বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করা যাবে। কার্যত গুগল ট্রান্সলেটরকে বড়সড় টক্কর দেওয়াই লক্ষ্য এই টুলের, মনে করছে বিশেষজ্ঞরা। ওপেনএআইয়ের ঘোষণার পর থেকেই এই নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। তবে বলে রাখা ভালো, চ্যাটজিপিটিতে অনুবাদ আগে থেকেই লভ্য। কিন্তু নতুন টুলে বদলে যাবে অভিজ্ঞতা। ওপেনএআই-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘চ্যাটজিপিটি ভাষা ব্যবহারে বরাবরই পারদর্শী। সঠিক ভাব ও সাংস্কৃতিক সূক্ষ্মতা বজায় রেখে ৪০টিরও বেশি ভাষায় নির্ভুল অনুবাদ করতে পারে এটি। চ্যাটজিপিটি ট্রান্সলেট সেই সক্ষমতাকেই তুলে ধরবে এবং আমরা একে আরো উন্নত করার লক্ষ্যে কাজ করছি। মনে করা হচ্ছে, এই ঘোষণার মাধ্যমে যেন বুঝিয়ে দেওয়া হলো গুগল একা নয়। চ্যাটজিপিটিও এখনো অনুবাদে দক্ষ হয়ে উঠছে এবং ভবিষ্যতে আরো জনপ্রিয় হবে। সোজা কথায়, নাম না করলেও নতুন বিবৃতিতে টেক জায়ান্ট সংস্থাকেই যেন নতুন করে চ্যালেঞ্জ ছুড়ল তারা। প্রসঙ্গত, ২৪৯টি ভাষা নিয়ে কাজ করে গুগল ট্রান্সলেটর। সেখানে এখনো পর্যন্ত চ্যাটজিপিটি স্বচ্ছন্দ ৪৭টি ভাষায়।
যুগটা এআইয়ের। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির দুনিয়ায় চমকের পর চমক সৃষ্টি করে চলেছে। ফলে প্রযুক্তি সংস্থাগুলির মধ্যে ‘প্রতিযোগিতা’ শুরু হয়ে গিয়েছে অনেক দিন ধরেই। গত নভেম্বরে অল্টম্যান লিখেছিলেন, ‘আমরা একটি সংস্থা হিসেবে যথেষ্ট শক্তি নির্মাণ করেছি। এতে দুর্দান্ত মডেল তৈরি করে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যেতে পারি। সুপার ইন্টেলিজেন্সে পৌঁছানোর জন্য আমাদের গবেষণা দলের বেশিরভাগ সদস্যকে আরও বেশি মনোনিবেশ করতে হবে। এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ পাশাপাশি গুগলের সঙ্গে ‘রেস’ নিয়েও তিনি প্রতিক্রিয়া দেন।


