গরমকালে স্নান করার পরেও যেন শান্তি নেই। কিছুক্ষণ পরেই আবার ঘামের দুর্গন্ধ আর চ্যাটচ্যাটে ভাব। কিন্তু স্নানের জলে কয়েকটি সাধারণ জিনিস মিশিয়ে নিলেই শরীর ও মন দুটোই সতেজ থাকবে। বাড়িতেই পেয়ে যাবেন স্পা-এর মতো আরাম।

গরমকাল মানেই প্যাচপ্যাচে ঘাম, চ্যাটচ্যাটে অস্বস্তি আর সারাক্ষণ ক্লান্তি। এই সময়টায় সবাই চায় শরীরটা যদি একটু ঠাণ্ডা আর ঝরঝরে থাকত। রোজকার স্নান তো আমরা করিই, কিন্তু সেই স্নানের জলেই যদি কয়েকটা প্রাকৃতিক জিনিস মিশিয়ে নেওয়া যায়, তাহলে সাধারণ স্নানই হয়ে উঠতে পারে দারুণ আরামদায়ক। আয়ুর্বেদ আর ঘরোয়া টোটকায় এমন অনেক জিনিসের কথা বলা আছে, যা শরীরকে ভেতর থেকে ঠাণ্ডা রাখে আর স্কিনকেও রাখে তরতাজা। সবচেয়ে বড় কথা, এই সব জিনিস সহজেই বাড়িতে পাওয়া যায় আর এর কোনও সাইড এফেক্টও নেই। এই গরমে নিজেকে ঠাণ্ডা, তরতাজা আর এনার্জেটিক রাখতে চাইলে স্নানের জলে এই জিনিসগুলো অবশ্যই মিশিয়ে দেখুন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

গোলাপ জল শরীরকে ঠাণ্ডা রাখে

স্নানের জলে গোলাপ জল মেশালে শরীর সঙ্গে সঙ্গে একটা ঠাণ্ডা আরাম পায়। এর মিষ্টি গন্ধ মনকে সতেজ করে তোলে আর স্কিনকেও নরম রাখতে সাহায্য করে। গরমকালে এটি সবচেয়ে সহজ আর असरदार উপায়গুলোর মধ্যে একটা।

লেবুর রসে দূর হবে দুর্গন্ধ

লেবুর মধ্যে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ থাকে, যা ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে দারুণ কাজ করে। স্নানের জলে অল্প লেবুর রস মিশিয়ে স্নান করলে শরীর পরিষ্কার ও ঝরঝরে লাগে।

নিম পাতা ইনফেকশন দূরে রাখে

স্কিনের জন্য নিম খুবই উপকারী। কয়েকটি নিম পাতা জলে ফুটিয়ে সেই জল দিয়ে স্নান করলে চুলকানি, ঘামাচি আর স্কিনের ইনফেকশন থেকে আরাম পাওয়া যায়।

পুদিনা পাতা দেবে কুলিং এফেক্ট

শরীরকে ঠাণ্ডা করার জন্য পুদিনা পাতা খুব কার্যকর। পুদিনা পাতা দেওয়া জলে স্নান করলে স্কিনে একটা ঠাণ্ডা অনুভূতি হয় আর সারাদিনের ক্লান্তিও দূর হয়ে যায়।

চন্দন শরীরকে রিল্যাক্স করে

চন্দন স্কিনকে ঠাণ্ডা করতে আর উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। স্নানের জলে চন্দন গুঁড়ো মিশিয়ে নিলে শরীর রিল্যাক্সড হয় আর সারাদিন সতেজ ভাব বজায় থাকে।

গরমকালে স্নানের সময় এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখুন

  • খুব বেশি ঠাণ্ডা জলে স্নান করবেন না, সাধারণ বা হালকা ঠাণ্ডা জল ব্যবহার করুন।
  • স্নানের পর শরীরে অবশ্যই ময়শ্চারাইজার লাগান।
  • খুব বেশি ঘাম হলে দিনে দু'বার স্নান করা উপকারী হতে পারে।