Clean Washroom: বেকিং সোডা, ভিনিগার, লেবু, কফির গুঁড়ো আর নিম পাতা দিয়ে বাথরুমের স্যাঁতস্যাঁতে ভাব আর দুর্গন্ধ সহজেই দূর করা যায়। এগুলো প্রাকৃতিক, সস্তা আর কেমিক্যাল ফ্রি। নিয়মিত ব্যবহারে বাথরুম থাকবে তাজা আর জীবাণুমুক্ত।
Clean Washroom: বাথরুমে স্যাঁতস্যাঁতে ভাব আর পচা গন্ধ শুধু অস্বস্তিকর নয়, ছত্রাক আর ব্যাকটেরিয়ারও জন্ম দেয়। কেমিক্যাল ক্লিনার ছাড়াই হেঁশেলের সাধারণ উপাদান দিয়ে বাথরুম একদম ফ্রেশ রাখা যায়। খরচ কম, আর স্বাস্থ্যের জন্যও নিরাপদ।
বেকিং সোডা দুর্গন্ধ শুষে নেওয়ার জন্য একদম কার্যকর। একটা ছোট বাটিতে ২-৩ চামচ বেকিং সোডা রেখে বাথরুমের কোণে রেখে দিন। এটা বাতাসের আর্দ্রতা আর দুর্গন্ধ দুটোই শুষে নেয়। ২-৩ দিন পর বদলে ফেলুন। টাইলসের হলদে দাগ তুলতে বেকিং সোডা আর জল পেস্ট করে ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন। ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেললে টাইলস চকচক করবে।
গন্ধ আর ব্লক দুটোই কেটে যাবে
সাদা ভিনিগার প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক। সমপরিমাণ ভিনিগার আর জল মিশিয়ে স্প্রে বোতলে ভরে টাইলস, বেসিন আর টয়লেটে স্প্রে করুন। ১৫ মিনিট রেখে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ভিনিগারের অ্যাসিড ছত্রাক মেরে ফেলে আর পাইপের জ্যামও কাটে। সপ্তাহে একবার বেকিং সোডা + ভিনিগার মিশিয়ে ড্রেনে ঢেলে দিন। গন্ধ আর ব্লক দুটোই কেটে যাবে।
লেবু সাইট্রিক অ্যাসিডের জন্য প্রাকৃতিক ব্লিচের মতো কাজ করে। লেবু কেটে বাটিতে রেখে দিন বা লেবুর রস + জল মিশিয়ে স্প্রে করুন। লেবুর তাজা গন্ধ পুরো বাথরুমে ছড়িয়ে পড়বে। টয়লেটের হলদে দাগ আর সাবানের ময়লা লেবুর রস দিয়ে সহজে তোলা যায়।
শুকনো কফির গুঁড়ো বাথরুমের দুর্গন্ধ শুষে নেওয়ার আরেকটা সহজ উপায়। ব্যবহার করা কফির গুঁড়ো ভালো করে শুকিয়ে পাতলা কাপড়ের পুঁটলিতে বেঁধে বাথরুমের এক কোণে ঝুলিয়ে রাখুন। কফির সুগন্ধ ১ সপ্তাহ পর্যন্ত থাকে। পুঁটলি স্যাঁতসেঁতে হয়ে গেলে বদলে ফেলুন।
ফ্যান চালু রাখুন বা জানলা খোলা রাখুন
নিম পাতা বা কর্পূর প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক আর পোকা তাড়ানোর কাজ করে। কয়েকটা শুকনো নিম পাতা ছোট পাত্রে রেখে দিন বা কর্পূরের ট্যাবলেট বাথরুমের কোণে রাখুন। বাতাস বিশুদ্ধ থাকবে আর মশা-মাছিও দূরে থাকবে।
এক্সট্রা টিপস হলো বাতাস চলাচল। বাথরুমে সবসময় এক্সহস্ট ফ্যান চালু রাখুন বা জানলা খোলা রাখুন। ভেজা তোয়ালে আর ম্যাট বাথরুমের বাইরে শুকোতে দিন। ভেজা কাপড়ই দুর্গন্ধের মূল কারণ।
এই ৫টি উপাদান নিয়মিত ব্যবহার করলে বাথরুম থাকবে তাজা, শুকনো আর জীবাণুমুক্ত। কেমিক্যালের তীব্র গন্ধও সহ্য করতে হবে না, আর খরচও প্রায় শূন্য।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


