পুজোয় আনন্দ সবার, কিন্তু বয়স ৬০ পেরোলে শরীর আর আগের মতো ধকল নিতে পারে না। একটু অসতর্কতায় সুগার বেড়ে যাওয়া, প্রেসার ফ্লাকচুয়েশন বা হাঁটুতে ব্যথা বেড়ে যেতে পারে। তাই পুজোর প্ল্যানে এই ৫টি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখুন।
পুজোয় আনন্দ সবার, কিন্তু বয়স ৬০ পেরোলে শরীর আর আগের মতো ধকল নিতে পারে না। একটু অসতর্কতায় সুগার বেড়ে যাওয়া, প্রেসার ফ্লাকচুয়েশন বা হাঁটুতে ব্যথা বেড়ে যেতে পারে। তাই পুজোর প্ল্যানে এই ৫টি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখুন।
১. হাঁটার প্ল্যান আগে থেকেই করুন:
একদিনে সব ঠাকুর দেখার চেষ্টা করবেন না। দিনে ২ থেকে ৩টি কাছাকাছি প্যান্ডেল বেছে নিন। বিকেল বা সন্ধ্যের দিকে ভিড় এড়িয়ে বেরোন। অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হলে মাঝে মাঝে বসার ব্যবস্থা রাখুন। আরামদায়ক জুতো পরুন, হাই হিল একেবারেই নয়।
২. ওষুধ আর জল সবসময় সঙ্গে:
ডায়াবেটিস, প্রেসার বা হার্টের রোজকার ওষুধ মিস করবেন না। একটি ছোট পাউচে ওষুধ, জলের বোতল আর সামান্য শুকনো খাবার যেমন বিস্কুট সঙ্গে রাখুন। দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকলে সুগার ফল করে যেতে পারে।
৩. খাওয়া দাওয়ায় লাগাম টানুন:
পুজো মানেই বাইরের তেলেভাজা, বিরিয়ানি, মিষ্টি। একেবারে না খেয়ে মন খারাপ না করে পরিমিত খান। ভাজাভুজির বদলে সেদ্ধ বা কম তেলের খাবার বেছে নিন। রাতে ভারী খাবার এড়িয়ে হালকা খাবার খান। পর্যাপ্ত জল খান, কিন্তু কোল্ড ড্রিংকস এড়িয়ে চলুন।
৪. রাত জাগা আর ভিড় এড়িয়ে চলুন:
সারারাত ঠাকুর দেখার ধকল প্রবীণদের জন্য ঝুঁকির। এতে রক্তচাপ বাড়তে পারে, হার্টের ওপর চাপ পড়ে। রাত ১০টার মধ্যে বাড়ি ফেরার চেষ্টা করুন। অতিরিক্ত ভিড়ের মণ্ডপে না ঢুকে ফাঁকা সময়ে যান।
৫. পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগে থাকুন:
একা একা বেরোবেন না। সঙ্গে পরিবারের কাউকে রাখুন। ফোনে ফুল চার্জ দিয়ে বেরোন এবং পরিবারের নম্বর স্পিড ডায়ালে রাখুন। হাঁটুতে ব্যথা বা বুকে অস্বস্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে বিশ্রাম নিন, জোর করবেন না। পুজো আনন্দের, কিন্তু সুস্থ থাকলেই সেই আনন্দ দ্বিগুণ হয়। এই ছোট ছোট নিয়মগুলো মানলেই প্রবীণরাও পুরো পুজোটা দারুণভাবে উপভোগ করতে পারবেন।
