পুজোর দিনেও অফিস করতে হচ্ছে? মন খারাপ করবেন না। কাজের ফাঁকেও সঙ্গীর সঙ্গে পুজোর আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার ৫টি সহজ উপায় রইল, যাতে প্রেমও থাকবে, কাজও হবে। চিন্তা নেই, কাজ সামলেও পুজোর প্রেমটা জমিয়ে রাখা যায়।

দুর্গাপুজো মানেই হইহুল্লোড়, কিন্তু অনেকেরই কপালে জোটে পুজোর দিনেও অফিস। সকাল থেকে ল্যাপটপ, মিটিং আর ডেডলাইনের চাপে প্রেমটাই যেন ফিকে হয়ে যায়। সঙ্গী হয়তো অভিমান করে বসে আছে, আপনি ঠাকুর দেখাতে নিয়ে যাননি বলে। চিন্তা নেই, কাজ সামলেও পুজোর প্রেমটা জমিয়ে রাখা যায়।

*১. মাইক্রো-ডেট প্ল্যান করুন:*

সারাদিন সময় না পেলে ২ ঘণ্টার প্ল্যান করুন। অফিস ছুটির পর সন্ধ্যায় এক ঘণ্টা হাত ধরে পাড়ার পুজো দেখা, একসঙ্গে ফুচকা খাওয়া। বড় প্ল্যানের দরকার নেই, ছোট ছোট মুহূর্তই মনে থাকে।

*২. অফিসটাই বানিয়ে ফেলুন পুজোর আড্ডা:*

লাঞ্চ ব্রেকে ভিডিও কলে সঙ্গীকে আপনার অফিসের পুজোর সাজ দেখান। একসঙ্গে অনলাইনে অঞ্জলি দেখুন। দুজনে মিলে পুজোর একই রঙের জামা পরে অফিস করুন, ছবি তুলে পোস্ট করুন। দূরত্ব থাকলেও কানেকশন থাকবে।

*৩. সকালের ৩০ মিনিট শুধু আপনাদের:*

অফিস শুরুর আগে সকালে ৩০ মিনিট ফোন সরিয়ে রাখুন। একসঙ্গে চা খান, পুজোর প্ল্যান নিয়ে গল্প করুন। এই ছোট অভ্যাসটাই সারাদিনের মুড ভালো করে দেবে।

*৪. কাজ ভাগ করে নিন, সারপ্রাইজ দিন:*

পুজোর শপিং বা বাড়ির কাজ একা সঙ্গীর ঘাড়ে ফেলবেন না। অফিসের ফাঁকে অনলাইনে তার জন্য একটা ছোট উপহার অর্ডার করুন। একটা লাল গোলাপ, বা তার প্রিয় মিষ্টি। সারপ্রাইজে অভিমান গলে যাবে।

*৫. দশমীতে ক্ষতিপূরণ:*

পুজোর কটা দিন অফিস থাকলে দশমীর পর একটা দিন ছুটি নিয়ে রাখুন। সেদিনটা শুধু আপনাদের। দূরে কোথাও লং ড্রাইভ বা ভালো রেস্তোরাঁয় ডিনার। সঙ্গীকে বোঝান, পুজো চারদিনের, কিন্তু আপনাদের সময়টা সারা বছরের।

মনে রাখবেন, সময়ের পরিমাণ নয়, সময়ের গুণমানটাই আসল।