ফ্যাটি লিভারের সমস্যা? কী খাবেন আর কী এড়িয়ে চলবেন, জেনে নিন
ফ্যাটি লিভারের সমস্যা? কী খাবেন আর কী এড়িয়ে চলবেন, জেনে নিন

ফ্যাটি লিভারের সমস্যা? কী খাবেন আর কী এড়িয়ে চলবেন
লিভারের স্বাস্থ্য রক্ষা ও ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে খাদ্যাভ্যাস খুব জরুরি। সুষম খাবার লিভারে চর্বি জমা কমায়। লিভার রক্ত থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করে ও মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণ করে।
লিভারের রোগ প্রতিরোধে কী খাবেন ও কী খাবেন না, বলছেন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট।
নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ (NAFLD) এখন সাধারণ। উচ্চ ক্যালোরি, চিনিযুক্ত খাবার, অলস জীবনযাত্রা এবং স্থূলতা এর ঝুঁকি বাড়ায়। পুষ্টিকর খাবার লিভারের জন্য উপকারী।
লিভারের রোগ প্রতিরোধে এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল খুবই উপকারী।
এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েলে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এটি লিভারের চর্বি কমাতে এবং লিভারের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে। লিভারের রোগ প্রতিরোধে এটি সেরা।
বারবার গরম করা তেল এড়িয়ে চলুন, এটি লিভারের ক্ষতি করতে পারে।
বারবার গরম করা তেল এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ এটি গরম করার সময় ক্ষতিকারক যৌগ তৈরি করে, যা অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং লিভারের ক্ষতি করতে পারে।
বাদাম ও বীজ লিভারের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
বাদাম, আখরোট, চিয়া সিড এবং ফ্ল্যাক্সসিড ফ্যাটি লিভারের জন্য দারুণ। এগুলিতে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ফাইবার এবং প্রোটিন থাকে, যা লিভারের স্বাস্থ্য ভালো রাখে ও ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
আল্ট্রা-প্রসেসড প্যাকেটজাত খাবার লিভারের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
আল্ট্রা-প্রসেসড প্যাকেটজাত খাবার লিভারের জন্য ক্ষতিকর। এতে থাকা অ্যাডিটিভ, চিনি এবং অস্বাস্থ্যকর ফ্যাট ওজন বাড়ায় এবং লিভারে চর্বি জমার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
ওটস এবং বার্লির মতো শস্য ফ্যাটি লিভারের জন্য খুবই উপকারী।
ওটস এবং বার্লির মতো শস্য ফ্যাটি লিভারের জন্য উপকারী। এই জটিল কার্বোহাইড্রেটে প্রচুর ফাইবার থাকে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
সাদা রুটি এবং পেস্ট্রির মতো খাবার খাওয়া সীমিত করা উচিত।
সাদা রুটি এবং পেস্ট্রির মতো খাবার সীমিত করুন। এই পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায় এবং লিভারে চর্বি জমার কারণ হতে পারে।
ফল, সবজি, প্রোটিন এবং স্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবারের উপর জোর দিন।
সুষম খাবার ও নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন। সামান্য ওজন কমালেও লিভারের চর্বি কমে। ফল, সবজি, প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার খান।
সারাদিন প্রচুর পরিমাণে জল পান করুন।
সারাদিন প্রচুর জল পান করুন। পর্যাপ্ত জল লিভারের কার্যকারিতা সমর্থন করে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করতে সাহায্য করে। অতিরিক্ত মদ্যপান লিভারের ক্ষতি করে।
