গঙ্গার ঢেউয়ের দোলায় ভেসে চলা জলযানগুলো ঠিক যেন কেয়া পাতার মতো লাগে! ওপারে তিলোত্তমা কলকাতার ছবির মতো রূপ, দুইয়ের মেলবন্ধনে অনন্য হুগলি নদীর এই ঘাট। অল্প সময়ের ট্রিপে মন ভাল করতে কেন এখানে ভিড় বাড়ছে? জানুন বিস্তারিত

নদীর অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে হুগলি নদীর পশ্চিম পাড়ের এই ঘাটে মানুষ ভিড় জমাচ্ছে। এখানে নদীর আরও বেশি সৌন্দর্য ধরা পড়ে। নদীর অস্থির জল তার উপর কেয়া পাতার মতো ভাসছে জলযান। ওপারে ছবির মতো কলকাতা। ওপারে কলকাতা শহরের উজ্জ্বল রূপ, আর গঙ্গার বুকে কেয়াপাতার মতো ভেসে চলা ছোট-বড় জলযান—হুগলি নদীর পাড়ে এমন মনমুগ্ধকর দৃশ্য দেখতে Howrah Tourism-এর এই ঘাটটি সেরা। বিদ্যাসাগর সেতুর সান্নিধ্য, শান্ত পরিবেশ এবং যাতায়াতের সুবিধাজনক অবস্থানের কারণে এটি বর্তমানে অন্যতম জনপ্রিয় ও দ্রুত ভ্রমণযোগ্য স্থান হিসেবে পরিচিত।

হুগলি নদীর এই ঘাটের আকর্ষণ ও বিস্তারিত তথ্য:

* অপরূপ সৌন্দর্য ও অবস্থান: হাওড়া এলাকার এই ঘাটটি থেকে বিদ্যাসাগর সেতু (দ্বিতীয় হুগলি সেতু) একদম কাছ থেকে দেখা যায়, যা পর্যটকদের মন জয় করে নেয়। ওপারে তিলোত্তমা কলকাতার গগনচুম্বী অট্টালিকা এবং এপারে শান্তির পরিবেশ এক অদ্ভুত সুন্দর বিপরীতমুখী অনুভূতির সৃষ্টি করে।

* ভ্রমণের সেরা সময়: বিকেলের পর সূর্যাস্তের সময় এবং সন্ধ্যার পর যখন ব্রিজের আলো ও শহরের আলোয় গঙ্গা ঝলমল করে ওঠে, তখন এই ঘাটের সৌন্দর্য বর্ণনাতীত হয়।

* কেন যাবেন? শহরের কোলাহল থেকে দূরে, নদীর পাড়ে বসে ঠান্ডা বাতাসে সময় কাটানো, কেয়াপাতার মতো দেখতে ছোট ছোট জলযান বা নৌকোর চলাচল দেখা, এবং সুন্দর ছবি তোলার জন্য এটি একটি আদর্শ স্থান।

* যাতায়াত ও সুবিধা: হাওড়া স্টেশনের কাছাকাছি হওয়ায় এখান থেকে খুব সহজেই গঙ্গার ঘাট পর্যন্ত পৌঁছানো যায়। ঘাট এলাকাটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং পিকনিক বা পিকনিকের আমেজ কাটানোর জন্য খুব ভালো।

* জনপ্রিয়তা: জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এখন এই মনোরম গঙ্গার ঘাটে ভিড় জমাচ্ছেন, যা একে জনপ্রিয় পর্যটনস্থলে পরিণত করেছে।

অল্প সময়ে কলকাতার আশেপাশে প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটাতে চাইলে এটি নিঃসন্দেহে একটি সেরা ঠিকানা।