Baby Food Tips: শিশুকে বাইরের প্যাকেটজাত খাবার না খাইয়ে ঘরের তৈরি ন্যাচেরাল খাওয়ার খাওয়ান। এতে শিশুর স্বাস্থ্য এবং পুষ্টি উভয়ই বজায় থাকবে। বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…
Food Tips: আজকালকার দিনে ব্যস্ততার লাইফে বাচ্চাদের জন্য ন্যাচারাল খাওয়ার খাওয়ানোর চল অনেকটাই কমে গেছে। কারণ প্রত্যেকটি পরিবারে অভিভাবকরা কর্মরত যার ফলে প্যাকেটজাত খাবার খাওয়ার চল বেড়েছে। কিন্তু এই প্যাকেটজাত খাবার যতটা কম দেওয়া যায় ততটাই শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। কিছু কিছু খাবার আছে যেগুলি খুব অল্পসময় বাড়িতেই তৈরি করে শিশুকে দেওয়া যায় এবং এতে শিশুর স্বাস্থ্য এবং পুষ্টি দুটোই বজায় থাকে।
প্রক্রিয়াজাত বা প্যাকেটজাত বেবি ফুডের বদলে ঘরে তৈরি তাজা, নরম ও পুষ্টিকর খাবার শিশুর সুস্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। খুব কম সময়ে ও সহজে তৈরি করা যায় এমন কিছু স্বাস্থ্যকর বিকল্প হলো—কলা ও আপেল পিউরি, চাল ও ডাল দিয়ে তৈরি পাতলা খিচুড়ি, ওটস, সুজি, সেদ্ধ মিষ্টি আলু বা গাজরের চটকানো খাবার।
শিশুর জন্য স্বাস্থ্য়কর খাবারের সহজ টিপস…
মিনিটেই তৈরি করুন সহজ ও স্বাস্থ্যকর শিশু খাদ্য:
* ফলের পিউরি (২ মিনিটে): পাকা কলা, পেঁপে বা ভাপানো আপেল চটকে সরাসরি দেওয়া যেতে পারে। প্রয়োজন হলে সামান্য বুকের দুধ বা ফর্মুলা মিশিয়ে মিশ্রণটি আরও মসৃণ করা যায়
* ওটস বা সুজির সুজি (৫ মিনিটে): অল্প দুধ বা জলে ওটস বা সুজি ফুটিয়ে নরম করে নিন। সাথে চটকানো ফল মেশালে স্বাদ ও পুষ্টি বাড়ে।
* সবজি বা ডাল খিচুড়ি (১০-১৫ মিনিটে): চাল, মুগ ডাল এবং গাজর, লাউ বা মিষ্টি কুমড়ো একসাথে প্রেশার কুকারে সেদ্ধ করে ভালো করে চটকে নিন।
* সেদ্ধ সবজি বা ডাল (৫ মিনিটে): গাজর, আলু, ব্রকলি বা মটরশুঁটি ভাপিয়ে (steamed) বা সেদ্ধ করে চটকানো খাবার বা ফিঙ্গার ফুড হিসেবে দেওয়া যেতে পারে।
স্বাস্থ্যকর বিকল্পের কেনা খাবারের চেয়ে সুবিধা:
* পুষ্টির নিশ্চয়তা: ঘরে তৈরি খাবারে কোনো প্রিজারভেটিভ, অতিরিক্ত চিনি বা লবণের ভয় থাকে না।
* সহজপাচ্য: টাটকা খাবার শিশুর পেট ভালো রাখে এবং দ্রুত হজম হয় ।
* পরিমিত ও নিরাপদ: শিশুর নিজস্ব রুচি অনুযায়ী স্বাদ ও গাঢ়ত্ব নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
কিছু জরুরি টিপস:
* ধীরে ধীরে শুরু: প্রথমে একটি খাবার দিয়ে শুরু করুন, ৩-৪ দিন পর অন্য নতুন খাবার দিন যাতে এলার্জি বোঝা যায় ।
* নিরাপদ প্রস্তুতি: খাবার তৈরির আগে হাত এবং বাটি-চামচ ভালো করে পরিষ্কার বা জীবাণুমুক্ত (sterilize) করে নেওয়া উচিত।
* পরিমাণ: শুরুতেই বেশি পরিমাণে না খাইয়ে অল্প দিয়ে শুরু করুন এবং শিশুর পেট ভরার সংকেত বুঝে খাওয়ান।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


