Health Tips: হিসাব মতো আদর্শ ৮ ঘণ্টা ঘুম সম্পূর্ণ। তবুও সকালে বিছানা ছাড়ার সময় শরীর যেন বইতে পারছেন না! মন ভারি, হাত-পায়ে ক্লান্তি আর সারাদিন একটা ধীর ভাব। অনেকেই একে ঋতু পরিবর্তন বা সাধারণ অলসতা মনে করেন। বিশদ তথ্যের জন্য পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

Health Tips: ৮ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় ঘুমানোর পরেও যদি ক্লান্তি, ঘুম ঘুম ভাব বা সারাদিন দুর্বল লাগে, তবে তা কোনো অন্তর্নিহিত শারীরিক সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, এর পেছনে স্লিপ অ্যাপনিয়া (Sleep Apnea), থাইরয়েডের সমস্যা, রক্তাল্পতা (Anemia), বিষণ্নতা (Depression) বা ডায়াবেটিসের মতো ৫টি গুরুতর রোগ দায়ী থাকতে পারে, যা শরীরের স্বাভাবিক ক্লান্তি দূর হতে বাধা দেয় ।

৮ ঘণ্টা ঘুমের পরেও ক্লান্তির ৫টি প্রধান রোগের কারণ:

১. স্লিপ অ্যাপনিয়া (Sleep Apnea): এটি ঘুমের মধ্যে শ্বাস-প্রশ্বাসের একটি ব্যাধি। এতে ঘুমের মধ্যে বারবার শ্বাস বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে গভীর ঘুম (Deep Sleep) হয় না। ব্যক্তিটি হয়তো ৮ ঘণ্টা বিছানায় থাকে, কিন্তু তার শরীর বিশ্রাম পায় না।

২. থাইরয়েড সমস্যা (Hypothyroidism): থাইরয়েড গ্রন্থি যদি পর্যাপ্ত হরমোন তৈরি না করে, তবে বিপাক বা মেটাবলিজম ধীর হয়ে যায়। এর ফলে প্রচণ্ড ক্লান্তি, অবসন্নতা এবং ওজন বৃদ্ধির সমস্যা দেখা দেয়।

৩. রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া (Anemia): শরীরে আয়রনের ঘাটতির কারণে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গেলে কোষে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পৌঁছায় না। এর ফলেও পর্যাপ্ত ঘুমের পরেও ক্লান্তি থেকে যায়।

৪. বিষণ্নতা বা মানসিক অবসাদ (Depression): মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘুমের গুণমানকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করে। বিষণ্নতায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা দীর্ঘক্ষণ ঘুমিয়েও ক্লান্তি অনুভব করেন।

৫. ডায়াবেটিস (Diabetes): রক্তে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিক হলে শরীরে শক্তির অভাব হয়, যা ক্রনিক ক্লান্তি বা ক্রমাগত ক্লান্তিবোধের কারণ হতে পারে।

অন্যান্য কারণ

পুষ্টির অভাব: ভিটামিন D বা ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি।

* ঘুমের পরিবেশ: অতিরিক্ত গরম, আলো বা গোলমেলে পরিবেশে ঘুম।

করণীয়: যদি নিয়মিত এই সমস্যা হতে থাকে, তবে দেরি না করে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা (যেমন- থাইরয়েড টেস্ট, হিমোগ্লোবিন বা ঘুমের স্টাডি) করান।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।