সর্বনাশ! শীতে গরম জলে স্নান করছেন, ভয়ঙ্কর বিপদে পড়বেন বছর কয়েক পরেই?

শীত এলেই আমাদের প্রথম আশ্রয় হয় গরম জল। মনে হয়, ঠান্ডা জলে স্নান মানেই অসুখ ডেকে আনা। কিন্তু জানেন কি, সব সময় গরম জলে স্নান করাও শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে? বরং নিয়ম মেনে ঠান্ডা বা উষ্ণ গরম জলে স্নান করলে শরীর পেতে পারে নানা উপকার। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় থাকে গরম জল ত্বকের প্রাকৃতিক তেল ধুয়ে নিয়ে যায়। এর ফলে শীতে ত্বক আরও শুষ্ক, রুক্ষ ও চুলকানিযুক্ত হয়ে ওঠে। ঠান্ডা বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার জল ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে, ত্বক থাকে নরম ও স্বাস্থ্যকর। চুল পড়া ও খুশকি কমাতে সাহায্য করে অতিরিক্ত গরম জল চুলের গোড়া দুর্বল করে এবং খুশকির সমস্যা বাড়ায়। ঠান্ডা জলে স্নান করলে মাথার ত্বকে রক্তসঞ্চালন ভাল হয়, চুলের গোড়া মজবুত থাকে এবং চুল পড়া তুলনামূলক কমে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক ঠান্ডা জলে স্নান করলে শরীর ধীরে ধীরে ঠান্ডার সঙ্গে মানিয়ে নিতে শেখে। 

এতে ইমিউন সিস্টেম সক্রিয় হয় এবং সাধারণ সর্দি-কাশির ঝুঁকি কমতে পারে। মানসিক সতেজতা ও এনার্জি বৃদ্ধি ঠান্ডা জলের স্পর্শ শরীরকে চটজলদি জাগিয়ে তোলে। স্নায়ুতন্ত্র সক্রিয় হয়, মুড ভালো থাকে এবং অলসতা কমে। অনেকেই বলেন, ঠান্ডা জলে স্নানের পর মন অনেক বেশি ফুরফুরে থাকে। রক্তসঞ্চালন উন্নত করে ঠান্ডা জল শরীরের রক্তনালিকে সংকুচিত ও প্রসারিত হতে সাহায্য করে, ফলে রক্ত চলাচল ভালো হয়। এটি হৃদযন্ত্রের জন্যও উপকারী বলে মনে করা হয়।

 তবে সাবধানতা জরুরি হঠাৎ বরফঠান্ডা জলে স্নান না করাই ভাল। 

চাইলে শুরুতে উষ্ণ গরম জল ব্যবহার করে ধীরে ধীরে ঠান্ডা জলে অভ্যস্ত হতে পারেন উপসংহার শীতে গরম জল আরামদায়ক হলেও, সব সময় তা শরীরের জন্য উপকারী নয়। সঠিক নিয়মে ও ধীরে ধীরে ঠান্ডা জলে স্নানের অভ্যাস গড়ে তুললে ত্বক, চুল ও শরীর—তিনটিই থাকবে সুস্থ। অভ্যাস বদলান, শরীরের কথাও শুনুন।