Health News: স্বাদের এক সুন্দর ভারসাম্য মেলে কাঞ্জিতে। বঙ্গে এমন পানীয় খাওয়ার চল হয়েছে ইদানীং। তবে ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে জুড়ে থাকা এই পানীয়ের উপকারিতা কম নয়। বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

Health News: টক দই সহ্য না হলে, গ্রীষ্মের তীব্র গরমে পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং শরীর ঠান্ডা রাখতে 'কাঞ্জি' একটি চমৎকার ঘরোয়া ও পুষ্টিকর পানীয়। এটি গাঁজন বা ফার্মেন্টেশনের মাধ্যমে তৈরি হয়, যা অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়া বাড়ায়, হজম ক্ষমতা উন্নত করে, বুকজ্বালা কমায় এবং শরীরকে রিহাইড্রেট করে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এক কথায় কাঞ্জি হল কালো গাজর, বিট, সর্ষের গুঁড়ো দিয়ে মজিয়ে নেওয়া এমন এক পানীয়, যাতে থাকে প্রোবায়োটিক। পেটের স্বাস্থ্য ভাল রাখে অন্ত্রে থাকা উপকারী ব্যাক্টেরিয়া। কাঞ্জি এমন এক পানীয়, যা পেটে উপকারী ব্যাক্টেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। মূলত কালো গাজর, বিট দিয়ে তৈরি কাঞ্জি শুধু প্রোবায়োটিকই নয়, ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টেরও উৎস।

অনেকেরই টক দই সহ্য হয় না। অনেকে ঘোল খেলেও চিনি মেশান। তবে চিকিৎসকেরা বলছেন, টক দই বা ঘোলে চিনি মেশালে তার উপকারিতা নষ্ট হয়। উল্টে চিনি অম্বলের কারণ হতে পারে। পেটের স্বাস্থ্যের জন্যও তা ভাল নয়। তাই যাঁদের টক দই পছন্দ নয় বা সহ্য হয় না, তাঁরা চুমুক দিতে পারেন কাঞ্জিতে।

কাঞ্জি খাওয়ার উপকারিতা:-

* প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ: গাঁজন প্রক্রিয়ার কারণে কাঞ্জিতে প্রচুর পরিমাণে উপকারী ব্যাক্টেরিয়া থাকে, যা অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে

* হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি: এটি দ্রুত হজমে সাহায্য করে এবং বদহজম বা পেট ভার লাগার সমস্যা দূর করে ।

* শরীর ঠান্ডা রাখা: কাঞ্জির শীতল করার বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা অতিরিক্ত গরমে পেট ঠান্ডা রাখে এবং অ্যাসিডিটি বা বুকজ্বালা কমায়।

* ভিটামিন ও খনিজ: এটি শরীরকে পুষ্টিকর উপাদান সরবরাহ করে যা গরমে সতেজ থাকতে সাহায্য করে।

* শরীর আর্দ্র রাখা: গ্রীষ্মের দিনে শরীর থেকে বেরিয়ে যাওয়া জলের ঘাটতি পূরণ করে।

কাঞ্জি তৈরির উপায়: সাধারণত কালো গাজর, জল, বিট নুন, সর্ষে গুঁড়ো এবং সামান্য লঙ্কা গুঁড়ো একটি কাঁচের বয়ামে মিশিয়ে কয়েকদিন রোদে রেখে এই স্বাস্থ্যকর পানীয় তৈরি করা হয়।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।