Pet Cat: বিড়ালশাবক বড় করা মনুষ্য শিশুকে বড় করার মতোই। পোষ্যর দিকে সবসময় সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হয় অভিভাবককে। ঋতু বদলের সময় অসুখ-বিসুখ হতে পারে বিড়ালেরও। কোন ধরনের অসুখ হয় তাদের, উপসর্গ কী জানা থাকলে চিকিৎসা সহজ হতে পারে।
Pet Cat: ঋতু বদলের সময় (বিশেষত শীত থেকে বসন্ত বা বর্ষায়) পোষ্য বিড়ালের শারীরিক সুস্থতায় বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন।কারণ এই সময়ে বিড়ালের কমন কোল্ড বা ক্যাট ফ্লু (ভাইরাসজনিত), শ্বাসকষ্ট, অ্যালার্জি,জলশূন্যতা এবং পরজীবীর (এঁটুলি) উপদ্রব বাড়ার ঝুঁকি থাকে । এই সময়ে নিয়মিত টিকা দেওয়া, পুষ্টিকর খাবার, এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।
ঋতু বদলের সময় বিড়ালের সাধারণ রোগ ও সতর্কর্তা:
* ক্যাট ফ্লু বা কমন কোল্ড: ঋতু পরিবর্তনের সময় এটি সবচেয়ে সাধারণ রোগ। বিড়ালের হাঁচি, কাশি, নাক দিয়ে জল পড়া, চোখ লাল হওয়া বা চোখ দিয়ে জল পড়া, এবং জ্বর হলে দ্রুত পশু চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
* শ্বাসকষ্ট: আচমকা ঠান্ডা লাগা বা তাপমাত্রা কমে-বেড়ে যাওয়ার ফলে বিড়ালের শ্বাস নিতে কষ্ট হতে পারে, তাই বিশেষ নজর রাখা প্রয়োজন ।
* অ্যালার্জি ও ত্বকের সমস্যা: পরিবেশের পরিবর্তনের কারণে বিড়ালের ত্বকে অ্যালার্জি হতে পারে। যদি দেখেন বিড়াল অনবরত গা চাটছে বা লোম খসে যাচ্ছে, তবে তা অ্যালার্জির লক্ষণ।
* জলশূন্যতা (Dehydration): গরমের সময় বা আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় বিড়াল অনেক সময় পর্যাপ্ত জল পান করে না। এর ফলে কিডনির সমস্যা বা ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন হতে পারে।
* পরজীবী সংক্রমণ (Fleas/Ticks): বসন্ত বা গরমের শুরুতে বিড়ালের লোমে এঁটুলি বা উকুন বাসা বাঁধতে পারে
* খাদ্য ও পুষ্টি: ঋতু পরিবর্তনের সময় বিড়ালের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সুষম ও পুষ্টিকর খাবার দেওয়া প্রয়োজন। প্রয়োজনে পশু চিকিৎসকের পরামর্শে ভিটামিন যুক্ত করা যেতে পারে।
বাড়তি যত্ন:
১. বিড়ালের শোয়ার জায়গাটি যেন উষ্ণ ও শুকনো থাকে।
২. নিয়মিত টিকাকরণ (Vaccination) নিশ্চিত করুন।
৩. ঘরের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন।
৪. নিয়মিত চুল আঁচড়ে দিন (Grooming)।
৫. জল শূন্যতা এড়াতে পর্যাপ্ত জল দিন।
যদি বিড়ালের খাবারে অরুচি, অতিরিক্ত ক্লান্তি, বা Yellow বমি ও ডাইরিয়া দেখা দেয়, তবে অবহেলা না করে দ্রুত ভেটেরিনারি ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


