Mobile Addiction: আমরা এখন পুরোপুরি ডিজিটাল যুগে বাস করছি। স্মার্টফোন, ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের একটি টাচেই সম্পন্ন হচ্ছে দৈনন্দিন কাজ। খবর পড়া, বিনোদন, অফিসের কাজ কিংবা প্রিয়জনের সঙ্গে যোগাযোগ—সবকিছুতেই ডিজিটাল ডিভাইসের নির্ভরতা বেড়েছে।
Mobile Addiction: মোবাইল বা ডিজিটাল ডিভাইস থেকে সাময়িকভাবে দূরে থাকাই হলো ‘ডিজিটাল ডিটক্স’ (Digital Detox), যা মানসিক চাপ কমিয়ে মানসিক শান্তির পথ দেখায় । অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম, সোশ্যাল মিডিয়ার আসক্তি ও FOMO (কিছু মিস করার ভয়) কমাতে এবং মনোযোগ, সৃজনশীলতা ও ঘুমের মান উন্নত করতে এটি অত্যন্ত কার্যকর। এটি প্রযুক্তি পুরোপুরি বর্জন না করে, সচেতনভাবে এর ব্যবহার কমানোর একটি পদ্ধতি।
ডিজিটাল ডিটক্সের বিস্তারিত আলোচনা ও মানসিক শান্তির চাবিকাঠি:
* মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি: সোশ্যাল মিডিয়ার ক্রমাগত আপডেট এবং ভার্চুয়াল জগতের ইঁদুরদৌড় মানসিক চাপ ও উদ্বেগ বাড়ায় । ডিজিটাল ডিটক্সের মাধ্যমে এই দৌড় থেকে বিরতি নিলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ে এবং স্ট্রেস কমে ।
* ঘুমের মান বৃদ্ধি: মোবাইল থেকে নির্গত নীল আলো (Blue Light) ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। ফোন থেকে দূরে থাকলে ঘুমের হরমোন (melatonin) ঠিকমতো ক্ষরণ হয়, ফলে ভালো ঘুম হয় ।
* বাস্তব সম্পর্কের গভীরতা: ডিজিটাল ডিভাইস আমাদের কাছের মানুষদের থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। ডিভাইস ছাড়া সময় কাটালে পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সরাসরি কথা বলার সুযোগ বাড়ে, যা মানসিক প্রশান্তি দেয় ।
* মনোযোগ ও উৎপাদনশীলতা: বার বার নোটিফিকেশন চেক করার প্রবণতা কমলে কাজের প্রতি একাগ্রতা বাড়ে ।
* নিজেকে সময় দেওয়া: ফোন ছাড়া থাকার ফলে মানুষ বই পড়া, হাঁটা, শখ পূরণ বা প্রকৃতির সাথে সময় কাটানোর সুযোগ পায়, যা মানসিক ক্লান্তি দূর করে
কীভাবে শুরু করবেন?
১. ধীরে শুরু করুন: একদিন বা কিছু সময়ের জন্য ফোন দূরে রাখুন । ২. নোটিফিকেশন বন্ধ করুন: অপ্রয়োজনীয় অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ করে দিন ৩. নির্দিষ্ট নিয়ম: বেডরুমে বা খাওয়ার সময় ফোন ব্যবহার করবেন না
ডিজিটাল ডিটক্স মানে প্রযুক্তির সাথে একটি সুস্থ সম্পর্ক গড়ে তোলা, যাতে ভার্চুয়াল জগত আমাদের বাস্তব জীবনকে গ্রাস করতে না পারে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

