গরমে শিশুদের গায়ে র্যাশ বা ঘামাচি হওয়া একটি সাধারণ সমস্যা। এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে অ্যালোভেরা জেল, নারকেল তেল এবং ক্যালামাইন লোশনের মতো ঘরোয়া উপায়গুলি অত্যন্ত কার্যকর।
গরম এখন একেবারে চরমে। এই সময়টায় বাচ্চা থেকে বুড়ো, সবাইকেই নানা শারীরিক সমস্যার মুখে পড়তে হয়। বাচ্চারা তো গরমের মধ্যে খেলাধুলো করেই, নিজেদের খেয়ালও রাখে না। তাই ওদের গায়ে ঘামাচি বা র্যাশ হওয়াটা খুব স্বাভাবিক। আপনার বাচ্চারও যদি গরমে ত্বকে চুলকানি বা ঘামাচি হয়ে থাকে, তাহলে কয়েকটি সহজ ঘরোয়া উপায় কাজে লাগাতে পারেন। ঘামাচি বা র্যাশ যদি অল্প থাকে, তাহলে ঘরোয়া টোটকাতেই তা সেরে যেতে পারে। আসুন, জেনে নেওয়া যাক সেই সহজ উপায়গুলো।

ঠান্ডা জল দিয়ে পরিষ্কার করুন
বাচ্চার ত্বক দিনে অন্তত ১-২ বার সাধারণ জল দিয়ে পরিষ্কার করুন। খেয়াল রাখবেন, জল যেন গরম না হয়, কারণ তাতে অস্বস্তি আরও বাড়বে। চাইলে জলে ১-২ ফোঁটা সুথল বা ডেটল মিশিয়ে নিতে পারেন।
অ্যালোভেরা জেল দেবে ठंडক
অ্যালোভেরা জেল নানা গুণে ভরপুর। আপনার বাড়িতে যদি অ্যালোভেরা গাছ থাকে, তাহলে তাজা পাতা থেকে জেল বের করে বাচ্চার ত্বকে লাগিয়ে দিন। অ্যালোভেরার পাতা ত্বকে একটা ঠান্ডা ভাব এনে দেয়, যার ফলে লালচে ভাব কমে যায়।
ব্যবহার করুন নারকেল তেল
ত্বকে হালকা করে ভার্জিন নারকেল তেল লাগালে শুধু শুষ্ক ভাবই কমে না, চুলকানির সমস্যাও কমে যায়। হাতে অল্প পরিমাণে তেল নিয়ে র্যাশ বা ঘামাচির জায়গায় লাগিয়ে দিতে পারেন।
ক্যালামাইন লোশনে চুলকানি কমবে
যদি ঘামাচিতে খুব বেশি চুলকানি হয়, তাহলে ওই জায়গায় ক্যালামাইন লোশন লাগালে আরাম পাওয়া যায়। গরমকালে র্যাশের জন্য এটি একটি খুব ভালো টোটকা হিসেবে পরিচিত।
ঢিলেঢালা পোশাক পরান
বাচ্চাদের ঘামাচির সমস্যা হলে, তাদের শুধু সুতির পোশাকই পরান। কারণ সুতির কাপড় ভালোভাবে ঘাম শুষে নেয় এবং বাচ্চার ত্বকও আরাম পায়। যদি বাচ্চার খুব বেশি ঘাম হয়, তাহলে তাকে সরাসরি রোদে বা খুব গরমে যেতে দেবেন না। বাড়িতে হাওয়া-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন, যাতে একটা ঠান্ডা পরিবেশ বজায় থাকে।


