Dry Skin: ত্বক রুক্ষ হয়ে যাচ্ছে? শুষ্ক ত্বক থেকে মুক্তির কার্যকর টিপস

শীতকাল হোক বা সারা বছরই—অনেকেরই অন্যতম বড় সমস্যা শুষ্ক ত্বক। ত্বক রুক্ষ হয়ে যাওয়া, খোসা ওঠা, টানটান ভাব বা চুলকানি—এসবই শুষ্ক ত্বকের সাধারণ লক্ষণ। তবে কিছু সহজ অভ্যাস ও নিয়মিত যত্নেই এই সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। শুষ্ক ত্বক কেন হয়? শুষ্ক ত্বকের পিছনে একাধিক কারণ কাজ করে— শরীরে জলের অভাব অতিরিক্ত গরম জলে স্নান শীতের শুষ্ক আবহাওয়া কেমিক্যালযুক্ত সাবান বা ফেসওয়াশ বয়স বাড়ার সঙ্গে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল কমে যাওয়া শুষ্ক ত্বক দূর করার কার্যকর উপায় 

১. নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন স্নানের পরপরই ত্বক হালকা ভেজা অবস্থায় ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার লাগান। এতে ত্বকের ভেতরে আর্দ্রতা আটকে থাকে। শিয়া বাটার, গ্লিসারিন, সেরামাইড বা অ্যালোভেরা যুক্ত ময়েশ্চারাইজার বেশি উপকারী।

 ২. গরম জলে স্নান এড়িয়ে চলুন অতিরিক্ত গরম জল ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট করে দেয়। কুসুম গরম বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার জলে স্নান করাই ভাল।

 ৩. পর্যাপ্ত জল পান করুন শুধু বাইরে থেকে নয়, ভেতর থেকেও ত্বককে আর্দ্র রাখা জরুরি। প্রতিদিন অন্তত ৮–১০ গ্লাস জল পান করুন। 

৪. সাবান ও ফেসওয়াশ বেছে নিন বুঝে অ্যালকোহল বা সালফেটযুক্ত সাবান ত্বক আরও শুষ্ক করে তোলে। মাইল্ড, ময়েশ্চারাইজিং ক্লিনজার ব্যবহার করাই শ্রেয়। 

৫. ঘরোয়া প্যাক ব্যবহার করুন মধু ও দুধ: ত্বক নরম ও আর্দ্র রাখে অ্যালোভেরা জেল: ত্বকের শুষ্কতা ও জ্বালা কমায় নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল: প্রাকৃতিক ময়েশ্চার হিসেবে কাজ করে সপ্তাহে ২–৩ দিন এই প্যাকগুলো ব্যবহার করতে পারেন। 

৬. ত্বক বেশি ঘষাঘষি করবেন না তোয়ালে দিয়ে জোরে মুছলে ত্বক আরও রুক্ষ হয়ে যায়। আলতো করে মুছুন। 

৭. সানস্ক্রিন ব্যবহার ভুলবেন না রোদে বেরোলে সানস্ক্রিন ব্যবহার না করলে ত্বক আরও শুষ্ক ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়—even শীতকালেও। 

৮. খাবারের দিকেও নজর দিন ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার (বাদাম, আখরোট, মাছ), ফল ও সবজি ত্বক সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন? যদি ত্বকের শুষ্কতা অত্যধিক হয়, ফাটল ধরে রক্তপাত হয় বা দীর্ঘদিনেও না কমে, তবে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।