রথযাত্রা এলেই মনে পড়ে যায় পুরীর জগন্নাথ দেবের কথা। আর জগন্নাথ মানেই ৫৬ ভোগ। এই ৫৬ ভোগের মধ্যে ভক্তদের সবচেয়ে প্রিয় ভোগগুলির মধ্যে একটি হল মালপোয়া। পুরীর মন্দিরে অমৃত মালপোয়া খাওয়ার সুযোগ সবার হয় না। কিন্তু চাইলে আপনিও বাড়িতে ১৫ মিনিটেই বানিয়ে ফেলতে পারেন পুরীর মতো রসালো মালপোয়া। জগন্নাথ দেবকে ভোগ দিয়ে নিজেও প্রসাদ পেতে পারেন।

রথযাত্রা এলেই মনে পড়ে যায় পুরীর জগন্নাথ দেবের কথা। আর জগন্নাথ মানেই ৫৬ ভোগ। এই ৫৬ ভোগের মধ্যে ভক্তদের সবচেয়ে প্রিয় ভোগগুলির মধ্যে একটি হল মালপোয়া। পুরীর মন্দিরে অমৃত মালপোয়া খাওয়ার সুযোগ সবার হয় না। কিন্তু চাইলে আপনিও বাড়িতে ১৫ মিনিটেই বানিয়ে ফেলতে পারেন পুরীর মতো রসালো মালপোয়া। জগন্নাথ দেবকে ভোগ দিয়ে নিজেও প্রসাদ পেতে পারেন।

ব্যাটারের জন্য:

- ময়দা - ১ কাপ

- সুজি - ২ টেবিল চামচ

- দুধ - ১ কাপ + ১/৪ কাপ প্রয়োজন মতো

- চিনি - ২ টেবিল চামচ

- খাবার সোডা - ১ চিমটি

- এলাচ গুঁড়ো - ১/২ চা চামচ

- কিশমিশ + কাজু কুচি - ২ টেবিল চামচ

রসের জন্য:

- চিনি - ১ কাপ

- জল - ১/২ কাপ

- এলাচ - ২ টো

- কেশর - কয়েকটা সুতা - অপশনাল

ভাজার জন্য: সাদা তেল বা ঘি

ব্যাটার তৈরির পদ্ধতি:

১. একটা বাটিতে ময়দা, সুজি, চিনি, এলাচ গুঁড়ো আর সোডা ভালো করে মিশিয়ে নিন।

২. এবার অল্প অল্প করে দুধ দিয়ে ঘন ব্যাটার বানান। পাতলা পিঠের ব্যাটারের মতো কনসিসটেন্সি হবে।

৩. ১০ মিনিট ঢাকা দিয়ে রেখে দিন। এরপর কিশমিশ-কাজু মিশিয়ে দিন।

রস তৈরি:

১. কড়াইতে চিনি আর জল দিয়ে মাঝারি আঁচে ফুটতে দিন।

২. এলাচ ফাটিয়ে আর কেশর দিয়ে দিন। ৫ মিনিট ফুটিয়ে একটু আঠালো সিরা বানিয়ে নিন। গ্যাস বন্ধ করে রাখুন।

ভাজা:

১. কড়াইতে তেল/ঘি গরম করুন। ডুবো তেলে ভাজতে হবে।

২. হাতা দিয়ে গোল করে ব্যাটার ছেড়ে দিন। মাঝারি আঁচে দুই পিঠ লালচে করে ভাজুন।

৩. ভাজা মাত্রই গরম রসে ২-৩ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন।

পুরীর মতো স্বাদ পাওয়ার ৩ টে টিপস

১. দুধের ব্যাটার: জলের বদলে পুরো দুধ দিলে স্বাদ একদম মন্দিরের মতো হবে।

২. কিনারে খাস্তা: ব্যাটার একটু ঘন রাখলে মালপোয়ার কিনারা মুচমুচে হবে, ভেতরটা নরম থাকবে।

৩. গরম গরম পরিবেশন: রস থেকে তুলেই পরিবেশন করুন। ওপর দিয়ে ক্ষীর বা রাবড়ি দিলে হয়ে যাবে "অমৃত মালপোয়া"।