১ এপ্রিল থেকে প্রতিটি ডিমে থাকবে এক্সপেরি ডেট। এই নিয়ম বর্তমানে উত্তরপ্রদেশের জন্য ঘোষিত। যোগী রাজ্যের নতুন নিয়ম।

সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে এক বড় পদক্ষেপ নিয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। এখন থেকে ডিম কিনতে গিয়ে আর ঠকতে হবে না গ্রাহকদের। প্রতিটি ডিমের গায়েই এবার থেকে লেখা থাকবে সেটি কত তারিখে পাড়া হয়েছে এবং সেটি কতদিন পর্যন্ত ব্যবহারযোগ্য (seal of production date and expiry date) থাকবে। আগামী ১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে এই নতুন নিয়ম কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছে যোগী সরকার।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

উত্তরপ্রদেশ সরকারের পশুপালন ও দুগ্ধ উন্নয়ন বিভাগ এবং খাদ্য নিরাপত্তা বিভাগ যৌথভাবে এই নির্দেশ জারি করেছে। এখন থেকে প্রতিটি ডিমের উপর উৎপাদনের তারিখ (Date of Laying) এবং মেয়াদ শেষের তারিখের (Expiry Date) স্ট্যাম্প দেওয়া বাধ্যতামূলক।

১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে উত্তরপ্রদেশে প্রতিটি ডিমের গায়ে উৎপাদন (Production) ও এক্সপায়ারি (Expiry) তারিখ লেখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যোগী সরকারের এই কড়া নির্দেশনার মূল লক্ষ্য ভেজাল ও পুরনো ডিমের বিক্রি রুখে গ্রাহকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা। এই নতুন নিয়মের ফলে দোকানদাররা আর বাসি ডিম তাজা বলে বিক্রি করতে পারবে না, যা ডিমের বাজারের স্বচ্ছতা বাড়াবে।

ডিমের ওপর নতুন নির্দেশনার বিস্তারিত তথ্য:

* নতুন নিয়ম: প্রতিটি ডিমের খোসায় কালির স্ট্যাম্প দিয়ে উৎপাদনের তারিখ ও ব্যবহারের শেষ তারিখ (Expiry Date) লিখতে হবে।

* কার্যকরী তারিখ: ১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে উত্তরপ্রদেশ জুড়ে এই নিয়ম চালু হবে।

* কেন এই সিদ্ধান্ত: অনেক সময় পোলট্রি বা হোলসেল থেকে পুরনো ডিম বাজারে আসে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এই নিয়মে গ্রাহকরা সহজেই ডিমের টাটকা ভাব যাচাই করতে পারবেন।

* শাস্তি: নির্দেশ অমান্য করলে বা মেয়াদোত্তীর্ণ ডিম বিক্রি করলে খামারি ও বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

* সুবিধা: সাধারণত প্যাক করার পর ৩-৫ সপ্তাহ পর্যন্ত ডিম ভালো থাকে । এই স্ট্যাম্পের ফলে সাধারণ মানুষ পচা বা বাসি ডিম কেনা থেকে বাঁচবেন।

যদিও এই নিয়মটি বর্তমানে উত্তরপ্রদেশের জন্য ঘোষিত, তবে এটি ডিমের মান নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যার প্রভাব অন্য রাজ্যেও পড়তে পারে।