চুল রং করার সময় মুখ বা মাথার ত্বকে রং লেগে যাওয়া খুবই কমন। জল দিলে এটা ওঠে না কারণ এটা কেমিক্যাল স্টেইন। তবে বেবি অয়েল, ভ্যাসলিন বা মেকআপ রিমুভারের মতো ঘরোয়া জিনিস দিয়েই ২-৩ মিনিটে দাগ তুলে ফেলা সম্ভব। রইল সহজ ৪টা উপায়।
চুল রং করার মজাটা তখনই মাটি হয়ে যায় যখন কপাল, কান বা মাথার ত্বকে রং লেগে কালো দাগ হয়ে যায়। জল আর সাবান দিয়ে ঘষলেও সেই দাগ সহজে ওঠে না। কারণ হেয়ার ডাই-এ থাকা কেমিক্যাল ত্বকের উপরিভাগে আটকে যায়। তবে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। ঘরে থাকা কয়েকটা জিনিস দিয়েই ২ মিনিটে দাগ তুলে ফেলতে পারবেন।
বেবি অয়েল বা নারকেল তেল
এটা সবচেয়ে সেফ আর কার্যকর উপায়। তুলোয় একটু বেবি অয়েল বা নারকেল তেল নিয়ে রং লাগা জায়গায় ১-২ মিনিট আস্তে ঘষুন। তেল রংয়ের কেমিক্যালকে আলগা করে দেয়। এরপর হালকা গরম জল আর মাইল্ড ফেসওয়াশ দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সংবেদনশীল ত্বকের জন্যও এটা একদম নিরাপদ।
পেট্রোলিয়াম জেলি বা ভ্যাসলিন
রং লাগার সঙ্গে সঙ্গেই যদি ভ্যাসলিন লাগিয়ে ৩০ সেকেন্ড ঘষে নেন, বেশিরভাগ রং সঙ্গে সঙ্গেই উঠে যায়। যেটা থেকে যায়, সেটা একইভাবে ২-৩ বার করলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে।
মেকআপ রিমুভার
চোখের মেকআপ তোলার মাইসেলার ওয়াটার হেয়ার ডাই স্টেইনের জন্যও দারুণ কাজ করে। তুলো ভিজিয়ে রং লাগা অংশটা আস্তে আস্তে মুছে নিন। মুখের ত্বকের জন্য এটা সবচেয়ে ভালো, কারণ এতে ত্বক শুকিয়ে যায় না।
বেকিং সোডা আর শ্যাম্পুর পেস্ট
এক চিমটি বেকিং সোডার সাথে একটু শ্যাম্পু মিশিয়ে পাতলা পেস্ট বানান। আঙুল দিয়ে রং লাগা জায়গায় হালকা সার্কুলার মোশনে ১ মিনিট ঘষে ধুয়ে ফেলুন। বেকিং সোডা মাইল্ড স্ক্রাবারের মতো কাজ করে। তবে মুখে বেশি ঘষবেন না, শুধু মাথার ত্বকে ব্যবহার করাই ভালো।
কী করবেন না:
অ্যালকোহল, নেল পলিশ রিমুভার বা ব্লিচ কখনও মুখ বা মাথার ত্বকে সরাসরি লাগাবেন না। এতে ত্বক জ্বালা বা লাল হয়ে যেতে পারে।
একটা প্রিভেনশন টিপস:
পরের বার চুল রং করার ১০ মিনিট আগে কপাল, কান আর গলার চারপাশে একটু ভ্যাসলিন বা নারকেল তেল লাগিয়ে নিন। তাহলে রং লাগলেও সহজে মুছে যাবে। আর মনে রাখবেন, রং লাগার সঙ্গে সঙ্গেই তুলে ফেললে দাগ বসে যাওয়ার সুযোগ পায় না।
