বৃষ্টি সাময়িক স্বস্তি দিলেও গরমে নাজেহাল দশা। প্রবীণদের জন্য এই সময়টা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডিহাইড্রেশন, হিটস্ট্রোকসহ নানা শারীরিক সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে। তাই এই সময় সতর্কতা খুব জরুরি। সামান্য পরিকল্পনা আর সচেতন থাকলেই বাড়ির প্রবীণ মানুষটিকে নিরাপদে রাখা সম্ভব।

গরমে প্রবীণদের মধ্যে ডিহাইড্রেশন এবং হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি।কারণ বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা কমে যায়। এই ঝুঁকি কমাতে পর্যাপ্ত জল ও তরল পান করা, দিনের তীব্র রোদে বাইরে না যাওয়া, ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরা, এবং শরীর ঠান্ডা রাখার ব্যবস্থা করা জরুরি।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

*প্রবীণদের গরমে সুস্থ রাখাবেন কীভাবে? ১০টি সুরক্ষা টিপস:*

১. পর্যাপ্ত তরল পান: পিপাসা না পেলেও সারাদিন নিয়মিত জল, ডাব, শরবত বা ORS পান করুন।

২. দিনের মধ্যভাগে ঘরে থাকুন: সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কড়া রোদ এড়িয়ে চলুন।

৩. হালকা ও ঢিলেঢালা পোশাক: সুতির, হালকা রঙের এবং ঢিলেঢালা পোশাক পরুন, যা বাতাস চলাচলে সহায়ক।

৪. বাইরে বেরোনোর সতর্কতা: রোদে বেরোলে ছাতা, টুপি, রোদচশমা (Sunglasses) ব্যবহার করুন এবং শরীর ঢাকা পোশাক পরুন।

৫. ঠান্ডা পরিবেশ: এয়ার কন্ডিশনার (AC) বা ফ্যান চালিয়ে ঘর ঠান্ডা রাখুন।

৬. পানীয় পছন্দ: চা, কফি, অ্যালকোহল, বা চিনিযুক্ত পানীয় পরিহার করুন, কারণ এগুলো ডিহাইড্রেশন বাড়ায়।

৭. খাদ্যাভ্যাস: প্রচুর পরিমাণে জলীয় ফল (যেমন- তরমুজ, শসা, কমলা) ও শাকসবজি খান।

৮. ঠান্ডা জলে স্নান: দিনে দু-বার ঠান্ডা জলে স্নান করুন বা শরীর মুছে নিন।

৯. ওষুধের পর্যালোচনা: নিয়মিত ওষুধের মাত্রা নিয়ে চিকিৎসকের সাথে কথা বলুন, কারণ কিছু ওষুধ (যেমন- ডাইইউরেটিক্স) জলশূন্যতা বাড়াতে পারে।

১০. লক্ষণ শনাক্তকরণ: শরীর দুর্বল লাগলে, মাথা ঘুরলে, বা প্রস্রাবের রং গাঢ় হলে দ্রুত ঠান্ডা স্থানে সরুন এবং তরল গ্রহণ করুন।

জরুরি লক্ষণ: যদি প্রচণ্ড জ্বর (৪০°C বা ১০৪°F এর উপরে), ঘাম বন্ধ হয়ে যাওয়া, বিভ্রান্তি, বা জ্ঞান হারানোর মতো লক্ষণ দেখা দেয়, তবে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা ৯১১-এ কল করুন।