ক্য়ানসার নামটাদুঃস্বপ্নের চেয়েও ভযানক  পরিবারের কারও ক্যানসার হলে যেন পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যায় ,কিন্তু আপনি কি অজান্তে ক্য়ানসার ডেকে আনছেন জেনে নিন কোন খাবার ূবন্ধ করবেন 

পরিবারের কারও ক্যানসার হলে যেন পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যায়। সম্প্রতি হওয়া এক গবেষণা থেকে জানা যাচ্ছে, মিষ্টি বা চিনি দেওয়া কোনও পানীয় বেশি খেলে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এএনআই-তে প্রকাশিত এই প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, ক্যানসার আক্রান্তদের ডায়েট থেকেও চিনি জাতীয় পানীয় বাদ দেওয়ায় ক্যানসার ছড়িয়ে পড়তে তুলনামূলক ভাবে বেশি সময় লাগে। গবেষকরা এরকমই জানা যাচ্ছে। 

বাজারে বিভিন্ন রকমের মিষ্টি পানীয় পাওয়া যায়। যত দিন যাচ্ছে, ততই বিভিন্ন রেস্তোরায় বাড়ছে এই মিষ্টি পানীয় বিক্রির সংখ্যা। ব্যস্ততার যুগে কেটে ফল খাওয়ার থেকে পানীয় খেতেই বেশি পছন্দ করে নতুন প্রজন্ম। যার ফলে সহজেই ওবেসিটির শিকার হতে হয়। এই ওবেসিটিই ক্যানসারের সম্ভাবনা বেশ খানিকটা বাড়িয়ে দেয়। 

ফ্রান্সে গবেষকদের একটি টিম এই বিষয়ে একটি সমীক্ষা চালান। এই সমীক্ষায় কৃত্রিম ভাবে তৈরি ফ্রুট জুস, ১০০ শতাংশ মিষ্টি ফলের রসের সঙ্গে ব্রেস্ট ক্যানসার, প্রস্টেট ক্যানসার, বাওয়েল ক্যানসার-সহ সব ধরনের ক্যানসার কতটা জড়িত সেই ব্যাপারটি খতিয়ে দেখেন গবেষকরা। ১০১,২৫৭ জনের উপরে এই সমীক্ষা চালান গবেষকরা। এদের মধ্যে ২১ শতাংশ পুরুষ ও ৭৯ সতাংশ মহিলা। গড় বয়স ৪২ বছর। 

প্রায় ৯ বছর ধরে চলা সমীক্ষার পরে মোট ৪৮ ঘণ্টার ডায়েট সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেন সকলে। এদের বয়স, লিঙ্গ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পরিবারের ক্যানসারের ইতিহাস, ধূমপান, নিয়মিত শরীরচর্চার পরিমাণ এসবই এই গবেষণার মধ্য়ে রাখা হয়। দেখা যায় মহিলাদের থেকে পুরুষরাই বেশি চিনি দেওয়া পানীয় খান। এদের মধ্যে ২১৯৩ জনের ক্যানসার ধরা পড়ে। তার মধ্য়ে ৬৯৩ জনের ব্রেস্ট ক্যানসার, ২৯১ জনের প্রস্টেট ক্যনসার এবং ১৬৬ জনের কোলেস্টেরল ক্যানসার। বেশির ভাগেরই ৫৯বছর বয়সে ধরা পড়ে ক্যানসার। যাঁদের ক্যানসার ধরা পড়ে তাঁদের প্রতিদিনের চিনি দেওয়া মিষ্টি পানীয় খাওয়ার অভ্যেস ছিল বলেও দেখা যায়। 

ফ্রুট জুস হোক বা কৃত্রিম ভাবে তৈরি ক্যানসার দুটোই ক্যানসার বাড়িয়ে দেয় অনেকটাই। এই ধরনের পানীয় নিয়মিত খাওয়ার মানেই হল লিভার ও প্যানক্রিয়াসে সমস্যা ডেকে আনা, ব্লাড সুগার লেভেল বাড়িয়ে দেওয়া ও ওবেসিটির সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেওয়া। আর এই প্রতিটি রোগই শরীরে ক্যানসারের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয় কয়েক গুণ।