চিকিৎসকরা বলছেন সুস্থ থাকতে ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুম জরুরি ঘুমে ঘাটতি পড়লেই হার্টের সমস্যা, ডায়াবেটিস, ওবেসিটির মতো সমস্যা জাঁকিয়ে বসে তবে সব সময়ে যে ব্যস্ততাই ঘুম না হওয়ার কারণ তা নয়

ব্যস্ততার যুগে প্রত্যেকেরই ঘুমের সঙ্গে আপোশ করতে হয়। কার উপরে সোশ্যাল মিডিয়ার চাপে রাতে ঘুমোতে যেতেও অধিকাংশই দেরি করেন। পরের দিন সকালে উঠই ছুটতে হয় অফিসে। ফলে ঘুমের বারোটা বাজে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম না হলে অবশ্যই তার প্রভাব শরীরে উপরে পড়ে। চিকিৎসকরা বলছেন সুস্থ থাকতে ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুম জরুরি। ঘুমে ঘাটতি পড়লেই হার্টের সমস্যা, ডায়াবেটিস, ওবেসিটির মতো সমস্যা জাঁকিয়ে বসে। তবে সব সময়ে যে ব্যস্ততাই ঘুম না হওয়ার কারণ তা নয়। আরও বিভিন্ন কারণে ঘুম আসতে সমস্যা হয়। জেনে নেওয়া যাক সেগুলি কী কী- 

১) আপনার কি নির্দিষ্ট কোনও ডিনার টাইম নেই। একদিন রাত ৯টায় খাবার খান, আবার অন্য দিন রাত ১২টায়। এই অভ্যেস থাকলে ঘুম আসতে সমস্যা হয়। চেষ্টা করুন এক নির্দিষ্ট সময়ে ডিনার করার। 

২) শোওয়ার আগে ব্রাশ করা উপকারী। কিন্তু এই অভ্যেসের জন্যও ঘুম দেরিতে আসে। ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশন অনুযায়ী, টুথপেস্টে পিপারমিন্ট থাকে,যাতে রিফ্রেশিং সেন্ট থাকে।এই গন্ধ মস্তিষ্ককে সতেজ রাখে। ফলে ঘুম আসতে দেরি হয়।

৩) বই পড়া ভাল অভ্যেস। কিন্তু প্রযুক্তির যুগে অনেকেই ই-বুক পড়েন। ই-বুক পড়লে চট করে ঘুম আসে না। ল্যাপটপ বা ট্যাব থেকে নির্গত আলো ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। 

৪) ঘুমোতে যাওয়ার আগে কি লেবু চা খাওয়ার অভ্যেস রয়েছে! তাহলে শীগগির এই অভ্যেস ত্যাগ করুন। ডিটক্স করে বলে অনেকেই ডিনারের পরে লেবু চা খান। কিন্তু ঘুমের বারোটা বাজানোর জন্য এটি একটি বড় কারণ। লেবু চা এনার্জি প্রদান করে। ফলে সহজে ঘুম আসতে চায় না। 

৫) রাতে ঘুমনোর আগে কি সঙ্গীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হন! অথবা বাড়িতে পোষ্য থাকলে তাকে নিয়ে খুব বেশি ঘাঁটাঘাঁটি করেন! তা হলে স্বাভাবিক ভাবেই আপনার শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাবে এবং ঘুম আসতে দেরি হবে। 

৬) এছাড়া ভিটামিন বি১২, ভিটামিন ডি ও আয়রনের অভাব হলেও ঘুমের সমস্যা হয়। এর জন্য স্যামন ফিশ, টুনা,, ম্যাকারেল, ডিমের কুলুম বেশি করে খান।