ছোট হোক বা বড় বয়স যেন হার মানছে রোগের কাছে। জীবন যত দ্রুত এগোচ্ছে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রোগের সংখ্যা। উচ্চ রক্তচাপ, সুগারের পাশাপাশি শরীরে থাবা বসাচ্ছে ইউরিক অ্যাসিড। আর এর জন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দায়ি আমরা নিজেরাই। মূলত অনিয়মিত জীবনযাত্রাই দায়ি এর পিছনে। আবার কারও কারও ক্ষেত্রে বিষয়টি একেবারে উল্টো। যাদের জিনগত সমস্যা রয়েছে তারাও এই রোগে ভুগতে পারেন। কিন্তু এই রোগ থেকে নিজেকে সুস্থ রাখতে গেলে মেনে চলুন এই ঘরোয়া টিপসগুলি।

আরও পড়ুন- গ্যাস-অম্বলের মত সমস্যা সহজেই দূর করুন ঘরোয়া উপায়ে

তেল মশলা ভুলে যান
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকা থেকে তেল মশলাকে দূরে রাখুন। অতিরিক্ত মাত্রায় তেল মশলা এই রোগের জন্য ক্ষতিকারক। যতটা পারবেন হালকা খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। এছাড়াও বড় মাছ, রেড মিট, চর্বি জাতীয় খাবার যতটা পারবেন এড়িয়ে চলুন। ডিম, সামুদ্রিক মাছ একদম খাবেন না। 

অ্য়ালকোহল বন্ধ করুন
যারা অ্য়ালকোহলিক তারা খুব শীঘ্রই এটা বন্ধ  করুন। এতে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
শরীরে কোনওরকম ব্যথা অনুভব করলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আর যাদের ইউরিক অ্যাসিড রয়েছে তারা প্রতি একমাস  অন্তর চেকআপ করিয়ে নিন। ডাক্তারের পরামর্শ না নিয়ে কোনও ওষুধ না খাওয়াই শরীরের পক্ষে ভাল।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
শরীর সুস্থ রাখতে গেলে সবার আগে বশে রাখতে হবে নিজের ওজনকে। রক্তচাপ, কোলেস্টেরল বেশি মাত্রায় থাকলেই ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া আমরা প্রত্যেকেই জানি শরীরচর্চা করা শরীরের জন্য কতটা উপকারী। সুতরাং আর দেরি না করে সকালে বা সন্ধ্যায় নিয়মিত করুন যোগাভ্যাস। চাইলে আধ ঘন্টা করে হাঁটতেও পারেন।

ভিটামিন সি মাস্ট
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অবশ্যই রাখুন ভিটামিন সি। ইউরিক অ্য়াসিডের অব্য়র্থ ওষুধ হিসেবে কাজ করে এই ভিটামিন সি। খাওয়ার পরে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ভিটামিন সি যুক্ত ফল খান। বাজার চলতি জুস, কোল্ড ড্রিঙ্ক যতটা পারবেন এড়িয়ে চলুন।

লো ক্যালোরিতে ভরসা রাখুন
লো ক্যালোরি যুক্ত খাবার ইউরিক অ্য়াসিডের জন্য় উপকারী। ফ্য়াট ফ্রি দুধ খেতে পারেন। এছাড়াও শাক সবজি, পিনাট বাটার বেশি পরিমাণে খান। দুধ চা, কফির বদলে চিনি ছাড়া ব্ল্য়াক কফিও খেতে পারেন। ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা যাদের বেশি তারা খাদ্য তালিকায় অ্য়াপেল সিডার ভিনিগার রাখুন।