আপনি সারাদিন অফিস করে ক্লান্ত। আর বাড়ি এসেই শিশুর উপর সমস্ত রাগ উগড়ে দিচ্ছেন। সারদিনের অক্লান্ত পরিশ্রমের পর বাড়ি এসেই শরীর, মন কোনওটাই যেন চলে না। আর দুদিক ব্যালেল্স করতে গিয়েই মানসিক অবসাদের শিকার হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। আজকের দিনে খুব সাধারণ একটি সমস্যা ডিপ্রেশন। আর এই ডিপ্রেশনের সমস্যা প্রত্যেকের জীবনেই সবচেয়ে খারাপ প্রভাব ফেলে।  আর সবচাইতে বেশি ক্ষতি হচ্ছে আপনার সন্তানের।  কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এই ডিপ্রেশন থেকে হতে পারে বড় রোগ। কীভাবে আপনার সমস্যার শিকার হচ্ছে আপনার শিশু, জেনে নিন। 

আরও পড়ুন-সস্তার একাধিক প্রিপেড প্ল্যান নিয়ে হাজির ভোডাফোন, জেনে নিন এখনই...


আপনি সারাদিন বাড়ি না থাকায় অনেকটা সময় আপনার সন্তান একা থাকছে। আর সেখান থেকেই  তৈরি হচ্ছে নানা সমস্যা।  যতদিন যাচ্ছে আপনার সন্তান খিটখিটে স্বভাবের হয়ে যাচ্ছে। কোনওকিছুই যেন তার ভাল লাগছে না। কিছু খেতে দিলে খাচ্ছে না। সবসময় বায়না করছে। যেটা দরকার সেটা না হলে অন্য কিছুই নিতে চাইছে না।  কোনও কিছু ভাল না লাগলে আপনাদের  উপর চিৎকার করছে। পড়াশোনাতেও মন নেই। স্কুলে সবার থেকে পিছিয়ে পড়ছে। এই ধরনের  জিনিসগুলি দেখলেই এখনি সাবধান। কারণ আপনার অজান্তেই আপনার মানসিক রোগের শিকার হচ্ছে আপনার সন্তান।

 

 

এখনকার দিনে খুব ছোট বয়সের শিশুদের ভয়াবহ আকার  নিচ্ছে এই মানসিক রোগ। আপনি বুঝে উঠতেও পারবেন না, কীসের জন্য এইরকম করছে আপনার সন্তান। তাই এই ধরনের কোনও লক্ষণ দেখলেই সবার আগে   নিজেকে ঠিক করুন। অফিসের কাজের চাপ, বাড়ির সমস্যা চেপে না রেখে খোলাখুলি আলোচনা করে নিন। প্রয়োজনে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যান। 

আরও পড়ুুন-অফিস পার্টি নিয়ে নাজেহাল, সমস্যা সমাধানে রইল কিছু চটজলদি টিপস...

কারণ ৫-৬ বছরের বাচ্চাদের মধ্যে ডিপ্রেশন হু হু করে বাড়ছে। আগে দেশের বড় বড় শহরগুলিতে এই প্রবণতা অনেক বেশি ছিল। কিন্তু বর্তমানে দেশের প্রায় সব শহরগুলোতেই  এই রোগ ক্রমশ বাড়ছে। শুধু ডিপ্রেশনই নয়, এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা।

 

 

তার উপর আবার স্কুলে পড়াশোনার চাপ, বাড়িতে মা-বাবার চাপ, ভাল রেজাল্টের চাপ, একাকীত্ব  এই সবকিছুই নষ্ট করছে বাচ্চাদের শৈশব। যার ফলে জাকিয়ে বসছে ডিপ্রেশন। এর পাশাপাশি স্মার্ট ফোনের দৌলতে হাতের মুঠোয় চলে আসছে বড়দের জগত। আর এই স্মার্টফোনের আসক্তি কেড়ে নিচ্ছে শৈশব।

 এ তো গেল বাচ্চাদের কথা। আর আপনিও এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে দ্রুত নিজেকে পরিবর্তন করুন। যেই জিনিসগুলি করলে মন ভাল থাকে সেইগুলি করুন।  সুতরাং অনেকটা দেরি হয়ে গেছে। বাচ্চার শৈশব ঠিক রাখতে স্মার্টফোন থেকে শতহস্ত দূরে থাকুন। বাচ্চাকে যতটা পারবেন সময় দিন। ওর ভাললাগা  খারাপলাগা গুলোকে বুঝে বন্ধুর মতো মোশার চেষ্টা করুন।