সুন্দর ও মজবুত দাঁত আমাদের সকলেরই কাম্য ছোটবেলা থেকেই দাঁতের প্রতি বিশেষ যত্নবান হওয়ার পরামর্শ দেন তবে মজবুত ও সুন্দর দাঁতের জন্য চাই দাঁতের সঠিক যত্ন যত্নবান হোন দাঁতের ও মাড়ির বিষয়ে

সুন্দর ও মজবুত দাঁত আমাদের সকলেরই কাম্য। এই কারনে ছোটবেলা থেকেই আমাদের দাঁতের প্রতি বিশেষ যত্নবান হওয়ার পরামর্শ দেন অভিভাবকরা। তবে মজবুত ও সুন্দর দাঁতের জন্য চাই দাঁতের সঠিক যত্ন। শরীরের অতি গুরুত্বপূর্ণ এই অঙ্গের যত্নের বিষয়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা যথেষ্ট উদাসীন। মার্কিন এক গবেষনায় দেখা গেছে প্রতি বিশ্বে প্রতি চারজন শিশুর মধ্যে একজন শিশুর দাঁতের ক্ষয়ের রোগ রয়েছে। দাঁতের গঠন ও তাঁর কার্যকলাপ পুরোটাই নির্ভর করে স্নায়ুর উপর। তাই দাঁতের গোড়া বা স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা সাংঘাতিক যন্ত্রণার সৃষ্টি করে। দাঁতের গোড়া বা স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অনেক কারণও রয়েছ। যেমন ভাঙা দাঁত, মাড়িতে সংক্রমণ, দাঁতের ক্ষয়, বা কোনও কোনও ক্ষেত্রে দাঁত পড়ে যাওয়া, মাড়ি ব্যথা ইত্যাদি। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন- এই মরশুমে ত্বকের কোমলতা বজায় রাখতে, মেনে চলুন এই নিয়মগুলি

দাঁতের ব্যথা হলে যেহেতু তা স্নায়ুর উপর প্রভাব সৃষ্টি করে ফলে একইসঙ্গে চোখে ব্যথা ও মাথা ব্যথার মতন সমস্যাও দেখা যায়। তা অসহ্য দাঁতের ব্যথা শুরু হওয়ার আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। তবে দাঁতের বা মাড়ির হালকা ব্যথা শুরুর সময় থেকেই যদি ব্যবস্থা নেওয়া যায় সেক্ষেত্রে সমস্যা কিছুটা হলেও কম হয়। এ ক্ষেত্রে ঘরোয়া সহজ একটি উপায় দাঁতের ব্যথা সাময়িক ভাবে কমিয়ে দিতে পারে। জেনে নেওয়া যাক সেই সহজ ঘরোয়া উপায়। 

আরও পড়ুন- প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠেই অনর্গল হাঁচি, মারাত্মক সমস্যায় ভুগছেন জেনে নিন প্রতিকার

এরজন্য প্রথমেই প্রয়োজন আধা চামচ নারকেল তেল ও আধা চামচ লবঙ্গের গুঁড়ো। নারকেল তেলে রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান আর লবঙ্গের গুঁড়োয় রয়েছে ইউজিনল নামের রাসায়নিক উপাদান যা ব্যথা উপশমে সাহায্য করে। একটি কাঁচের পাত্রে লবঙ্গের গুঁড়ো এবং নারকেল তেল ভাল করে মিশিয়ে টুথব্রাশের সাহায্যে এই পেস্টটি দাঁত বা মাড়ির আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে নিন। দিনে অন্তত তিন চার বার এই মিশ্রণটি দাঁত বা মাড়ির আক্রান্ত স্থানে লাগালে দ্রুত ব্যথা কমে যাবে। তবে দাঁতের যথাযথ যত্ন নিতে বছরে অন্তত একবার চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। দাঁতের ব্যথা অতিরিক্ত বৃদ্ধি পেলে অবশ্যই চিকিৎসকের নির্দেশ মেনে যে কোনও ওষুধ খান।