হাতে সময় কম  অথচ পাহাড়, বরফ এসব দেখার ইচ্ছে হলে, ঘুরে আসতে পারেন দারিংবাড়ি থেকে শীতে দারিংবাড়িতে প্রায়ই বরফ পড়ে  তাই একে কাশ্মীর অফ ওড়িশাও বলা হয়  

কথায় আছে বাঙালির ভ্রমণ মানেই দী-পু-দা। অর্থাৎ দিঘা, পুরী, দার্জিলিং। কিন্তু রাজ্যে বা রাজ্যের আনাচে কানাচেতেই রয়েছে কত অদেখা, অজানা জায়গা। বিশেষ করে যাঁরা অতিরিক্ত ভিড় পছন্দ করেন না, তাঁরা এই ধরনের জায়গা থেকে বেড়িয়ে আসতে পারেন। যেহেতু এই এলাকাগুলিতে বেড়ানোর জন্য তেমন খরচও করতে হয় না। ওড়িশার দারিংবাড়িও এমনই একটি জায়গা। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

হাতে সময় কম। অথচ পাহাড়, বরফ এসব দেখার ইচ্ছে হলে, ঘুরে আসতে পারেন দারিংবাড়ি থেকে। শীতে দারিংবাড়িতে প্রায়ই বরফ পড়ে। তাই একে কাশ্মীর অফ ওড়িশাও বলা হয়। 

কী কী দেখবেন দারিংবাড়িতে- 

১)দারিংবাড়ির মূল আকর্ষণই হল এখানকার ঝর্না, নদী, পাহাড় আর পাহাড় জুড়ে সবুজের ছড়াছড়ি। 
২) রয়েছে বিশাল বড় কফি ক্ষেত, পাইনের সারি। এখানে বিভিন্ন রকমের মশলার গাছের বাগানও রয়েছে। 
৩) সবুজে মোড়া এই গ্রামে দেখা বিভিন্ন প্রজাতির পাখি।
৪) আরও একটি বিশেষ আকর্ষণ হল এখানকার হিল ভিউ পার্ক। পাহাড়ের গা বেয়ে বয়ে চলা ডুলুরি নদীও দেখার মতো। 
৫) রয়েছে পুটুডি ঝর্নার ধারে দারুণ পিকনিক স্পট। 
৬) শীতকালে গেলে পেয়ে যেতে পারেন বরফও। ভোরবেলায় শীতকালে এখানকার তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নীচে চলে যায়। তাই শিশির জমে বরফ হয়ে যায় এখানে। তবে গ্রীষ্মেও ঘুরে দেখার অনেক কিছু রয়েছে এখানে। 

কী ভাবে যাবেন- 
১) ভুবনেশ্বর থেকে দারিংবাড়ির দূরত্ব ২৫০ কিলোমিটার। ভুবনেশ্বর স্টেশন থেকে গাড়ি ভাড়া করেও যাওয়া যায়। 

২) ফুলবনি, বালিগুডা, উদয়গিরি হয়েও দারিংবাড়ি পৌঁছতে পারেন। 

কোথায় থাকবেন- 

বিভিন্ন হোটেল ও রিসর্ট রয়েছে। হোটেল মিডটাউন দারিংবাড়ি, ইকো রিসর্ট দারিংবাড়ি, হোটেল হিলটপ দারিংবাড়ি।, হোটেল ইউটোপিয়া। এ

যাওয়ার সেরা সময়-
১) শীত কাল। 
২) এছাড়া সেপ্টেম্বর থেকে মে পর্যন্ত যে কোনও সময়ে।