নিত্য়দিন করোনা আতঙ্ক গ্রাস করছে মেদিনীপুরবাসীকে। ভয়ে থরহরিকম্প হওয়ার জোগাড় এলাকার বাসিন্দাদের। স্বাস্থ্য় দফতরের রিপোর্ট বলছে ,ইতিমধ্য়েই জেলায় করোনা সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি ২৩ জন। বেগতিক দেখে এবার স্কুলপড়ুয়াদেরও সচেতনতা বাড়াতে নামানো হল রাস্তায়। 

তৃণমূল এবার রোদ্দুরের পিছনে, শ্রীরামপুর থানায় অভিযোগ দায়ের

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাতে তেমন কোনও আতঙ্কের পরিবেশ নেই বলে নিশ্চয়তা দিলেও বহিরাগত ২৩জনকে করোনা সন্দেহে পর্যবেক্ষণে পাঠালো জেলার স্বাস্থ্য দফতর। প্রচার কাজে নামানো হচ্ছে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের। তবে ব্রয়লার মাংস নিয়ে আতঙ্কের কোনও কারণ নেই বলেই অভয় দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। সম্প্রতি করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের মাঝে অন্যান্য জেলার সঙ্গে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাতেও বেশকিছু প্রতিরোধী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল জেলা স্বাস্থ্য দফতর। 

পুলিশ ধরার আগেই 'চিরঘুমে' রোদ্দুর, ফেসবুকে ঘুরে বেড়াচ্ছে 'রেস্ট ইন পিস'

বহিরাগতদের দিকে কড়া নজরদারির সাথে সাথে জেলার সমস্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্র, হাসপাতাল, বেসরকারি নার্সিংহোম সকলকে সজাগ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।জেলার সমস্ত দফতরকে নিয়ে বৈঠক করেছেন জেলা শাসক ও মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক৷ সেই সজাগ দৃষ্টিতেই বুধবার পর্যন্ত ধরা পড়েছে ২৩ জন বহিরাগতকে। যারা বিদেশ থেকে এসেছেন, নয়তো বা করোনা আক্রান্তদের পাশাপাশি ছিলেন, কারও সামান্য কিছু সন্দেহজনক উপসর্গ রয়েছে। সন্দেহজনক এমন ২৩ জনকে বিভিন্ন স্থানে অবজারভেশনে রেখেছে স্বাস্থ্য দফতর। চলছে পরীক্ষা।বুধবারও কয়েকজন এমন ব্যক্তিকে সন্দেহ করে কলকাতাতে রেফার করেছে খড়্গপুর রেল হাসপাতাল৷ তবে এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত ভাবে আক্রান্ত কাউকেই পাওয়া যায়নি।

১৫ লক্ষ টাকার শৌচাগার, তৃণমূল নেতার 'কীর্তি দেখে' হতবাক প্রশান্ত কিশোর

এই পরিস্থিতির মাঝেও ব্রয়লার মাংস নিয়ে জেলাবাসীকে অভয়বাণী দিলেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাক্তার গিরিশচন্দ্র বেরা। তিনি জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত এই মাংসের মধ্যে কোনও ভাইরাস সংক্রমণের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। বিজ্ঞানসম্মত কোনও ব্যাখ্যা এখনও পর্যন্ত এর মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে না। মানুষ থেকে মানুষের মধ্যেই সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে ।   তা হলেও ব্রয়লার মাংসে করোনাভাইরাস গুজব এই মাংস বিক্রির ক্ষেত্রে ভাটা এনে দিয়েছে। পাল্টা চাপ বেড়েছে খাসির মাংসে।তাই এক ধাক্কায় ব্রয়লার মাংসের দাম কমে ৫০ টাকা কেজি দাঁড়িয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরে। অন্যদিকে খাসি মাংস প্রতি কেজি সাড়ে চারশো টাকা থেকে সাড়ে সাতশো টাকায় পৌঁছে গিয়েছে।

জেলাজুড়ে করোনা নিয়ে আতঙ্ক গুজবের নির্বাচনে এই রোগ বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা দিতে স্বাস্থ্য দফতর ও জেলা প্রশাসন বিদ্যালয় শিক্ষা দফতর কেউ কাজে লাগাতে চলেছে। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাক্তার গিরিশচন্দ্র বেরা জানিয়েছেন, বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের প্রার্থনার সময় শিক্ষকরা এই রোগ বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা দিচ্ছেন। স্কুল হেলথ বিভাগ ছাত্র-ছাত্রীদের মাধ্যমে এলাকায় সচেতনতা ও প্রচার এর কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামছে জেলাজুড়ে।