মধ্যপ্রদেশে ঘোড়া কেনাবেচার অভিযোগ নিয়ে এবার পাল্টা আক্রমণে নামল বিজেপি। দলের রাজ্য় সভাপতি দিলীপ ঘোষের মতে, সিন্ধিয়ারও যে টাকার প্রয়োজন আছে, তা এতদিনে জানতে পারলাম। যতদূর জানি, জ্য়োতিরাদিত্য় সিন্ধিয়ারা ওখানকার রাজ পরিবারে জন্মেছেন। এটা সবার মনে রাখা উচিত।

মুখোমুখি সংঘর্ষের জের, হুগলি নদীতে ডুবে গেল বাংলাদেশি বার্জ

এই বলেই অবশ্য থেমে থাকেননি মেদিনীপুরের সাংসদ। তাঁর দাবি,দেশের উন্নয়নে নরেন্দ্র মোদী যে কাজ করছেন, তা বিলক্ষণ বুঝেছেন সিন্ধিয়া। রাজ পরিবারের ইতিহাস বলছে,ওনার ঠাকুমা জনসংঘে ছিলেন। এখন ওনার  পিসিরা আছেন। দেশে আপৎকালীন  পরিস্থিতির সময় জ্য়োতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার বাবাকে চাপ দিয়ে কংগ্রেসে ঢোকানো হয়। এবার সেই ভুল বুঝতে পেরে ঘর ওয়াপসি করেছেন সিন্ধিয়া। তবে শুধু সিন্ধিয়া নন, আগামী দিনে দেশের যে যোগ্য মানুষেরা মোদীর  নেতৃত্বে কাজ করতে চাইবেন তাদের দল নেবে। 

পুলিশ ধরার আগেই 'চিরঘুমে' রোদ্দুর, ফেসবুকে ঘুরে বেড়াচ্ছে 'রেস্ট ইন পিস'

এদিন মেদিনীপুরে চায়  পে চর্চায় রাজ্য়ের পুর নির্বাচন নিযেও মুখ খোলেন দিলীপ। বিজেপির  রাজ্য় সভাপতি বলেন, রাজ্য়ে পুরসভার মেয়াদ পেরিয়ে গেলেও ভোট হতে দেয়নি মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের সরকার। জোর করে সেখানে পুরসভার মাথায় আধিকারিক নিয়োগ করে রাখা হয়েছে। আমরা চাই অবিলম্বে নবান্নের আধিকারিক  সরিয়ে সেখানে নির্বাচন হোক। যেভাবে পুরসভার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গিয়েছে, আগামী দিনে মুখ্য়মন্ত্রীরও এক্সপায়ারি হয়ে  যাবে। 

১৫ লক্ষ টাকার শৌচাগার, তৃণমূল নেতার 'কীর্তি দেখে' হতবাক প্রশান্ত কিশোর

কংগ্রেসের সঙ্গে ১৮ বছরের সম্পর্ক ছেদ করেছেন সদ্য। বিজেপির সদর দফতরে গিয়ে বুধবারবারই গেরুয়া পতাকা হাতে নিয়েছেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। সেদিন রাতেই দলবদলের পুরস্কার জুটেছে তাঁর। মধ্যপ্রদেশ থেকে সিন্ধিয়াকেই রাজ্যসভার সাংসদ করার কথা ঘোষণা করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। কেবল সাংসদ পদ নন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও হতে চলেছেন সিন্ধিয়া। দলবদলের পর বৃহস্পতিবার নিজের রাজ্য মধ্যপ্রদেশে আসেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তার আগে অবশ্য দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি। 

আগামী ১৬ মার্চ মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় বাজেট সেশন শুরু হচ্ছে। সংখ্যালঘু সরকার রাজ্যের বাজেট পেশ করতে পারে না বলে দাবি তুলেছে বিজেপি। সেকরাণে ১৬ মার্চ আস্থাভোট দাবি করছে গেরুয়া শিবির। যদিও ১৯জন বিধায়কের পদত্যাগের বিষয়িটি ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত স্পিকারের পক্ষে আস্থা ভোটের দিন ঘোষণা সম্ভব নয়।