বুধবার সারাদিন অফিসের সময়ে কাজের পরও খোলা অফিস। রাত ন-টার পরেও অফিসের ভেতরে কাজ করছিলেন কেশপুরের বিএলআরও। স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ হওয়ায় ঘেরাও করেন তাঁকে। কী কাজ করছিলেন তার সঠিক উত্তর না দিতে পারায় দীর্ঘক্ষণ ঘেরাও করে রাখা হয় তাঁকে। পরিস্থিতির খোঁজ নিতে বিধায়ক শিউলি সাহা জেলা প্রশাসনের উর্ধতন কর্তাদের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন।

'রাজীব কুমারকে বাঁচানোর উপহার, শাহকে শহিদ মিনারে মিটিংয়ের ছাড়পত্র মমতার'

বিধায়ক শিউলি সাহার অভিযোগ, গভীর রাত পর্যন্ত অফিস খুলে রেখে নিয়ম বহির্ভূতভাবে বহিরাগতদের নিয়ে কোনও অসাধু কাজে লিপ্ত ছিলেন আধিকারিক। স্থানীয়রা ঘেরাও করে রেখেছিলেন তাকে। আমি বিডিও সহ অন্যান্য আধিকারিকদের কাছে জানানোর পর তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বেশ কিছু সন্দেহজনক কাগজপত্র বাজেয়াপ্ত করেছেন। জেলাতে যে কোনও অসাধু কাজকর্ম হলেও শাসকদলের নেতাকর্মীকেই দোষ দেন সকলে। 

প্রতারণার শিকার যাদবপুরের তরুণী, পাত্রের চাকরি থেকে ফ্ল্যাট সবই ভুয়ো

কিন্তু বাম আমলের থেকে নেওয়া বেশকিছু আধিকারিক এই ধরনের কাজ কর্মের পিছনে থাকেন। আমি জেলাশাসক সহ উর্ধতন কর্তাদের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিএলআরও সুশান্ত বিশ্বাস বহিরাগতদের উপস্থিত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে নিলেও কী কাজ হচ্ছিল তার কোনো সদুত্তর দেননি। তবে অভিযোগের কোনও উত্তর দেননি তিনি। 

বানান ভুলেও কাটবে না নম্বর, নতুন নিয়ম চালু মধ্যশিক্ষা পর্ষদের