নো এন আর সি ,নো সিএএ প্রতিবাদের ছোঁয়া এবার বিয়ের আমন্ত্রণপত্রেও। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর-এর বাসিন্দা মোহাম্মদ আলিফ নিজের বিয়ের আমন্ত্রণ কার্ডে- নো এনআরসি, নো সিএএ ছাপিয়েছেন। যা শোরগোল ফেলে দিয়েছে এলাকায়।

১৮২ মহিলার অন্তরঙ্গ ভিডিও তুলে ব্ল্য়াকমেল, জালে সম্ভ্রান্ত দুই পরিবারের যুবক

পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর থানার অন্তর্গত মুগবাসান এলাকার যুবক আলিফ উচ্চশিক্ষিত। এলাকায় কেরোসিন ডিলার। সক্রিয় কোনও রাজনৈতিক দল না করলেও অন্যান্য অনেকের সঙ্গে নাগরিকত্ব সংশোধন আইন-এর প্রতিবাদে সামিল সে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু প্রতিবাদে পরোক্ষে অংশও নিয়েছে।

তৃণমূলে প্রশান্ত কিশোর, কী বললেন পার্থ

সম্প্রতি তার বিয়ে ঠিক হয়েছে জেলার আঙ্গুয়া এলাকার বাসিন্দা হাসিনা মমতাজের সঙ্গে। আলিফ এবং মমতাজ দুজনেই উচ্চশিক্ষিত। দুই পরিবারের মিলনের মুহূর্তে এই আমন্ত্রণ কার্ডের বার্তা কোনও রকম প্রভাব ফেলেনি। বরং পাত্রের এই সিদ্ধান্তে পরোক্ষে সহমত রয়েছে দুই পক্ষের।

আগামী ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, তাদের বিয়ে। বিয়ে উপলক্ষে কয়েকশো মানুষকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে। কার্ড ছাপিয়ে সকলকেই বিলি করা হয়েছে। সেই কার্ডের ছবি সোশ্যাল মাধ্যমে পোস্ট হতেই কৌতূহল বেড়েছে। পাত্রের দাবি, কোনও প্রচারে আসার জন্য এই কাজ করিনি। এই আইনের বিরোধিতা করে আমি আমার নিজস্ব পরিধির মধ্যে সহমত গঠনের চেষ্টা করেছি মাত্র। যাতে আমাদের দুই পরিবারের সহমত রয়েছে।

পার্ক সার্কাসের সার্কাস কতদিন, সিএএ প্রতিবাদকারীদের খোঁচা দিলীপের

এই ঘটনায় কোনও রাজনীতি নেই বলে মনে করছেন কেশপুরের ব্লক তৃণমূলের সভাপতি উত্তম ত্রিপাঠি। উত্তমবাবু বলেন," ফেসবুকের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছি। এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। ওনার মতো অনেকেই আছেন প্রতিবাদী। নিজেদের মতো করে তাই প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন। এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।"