শাজাহান আলি, পশ্চিম মেদিনীপুর-পশ্চিম মেদিনীপুরে ফুলচাষের জমিতে কিশোরীর অর্ধনগ্ন দেহ উদ্ধারের ঘটনায় নয়া তথ্য পেল পুলিশ। ঘটনাস্থলে থেকে আড়াই কিলোমিটার দূরে আদিবাসী ক্ষেতমজুর পরিবারের সদস্য ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ। ফুল চাষের জমিতে অর্ধনগ্ন অবস্থায় দেহ উদ্ধার ঘিরে ঘণীভূত হচ্ছে রহস্য। মৃত কিশোরীর শরীরের কিছু জায়গায় চামড়া উঠে গিয়েছে। তার থেকে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান পেট্রোল দিয়ে কিশোরীকে পোড়ানোর চেষ্টা হয়েছিল। তবে ধর্ষণ করে খুন না পিছনে অন্য কারন তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন-ক্রেডিটকার্ড-আয়কর-ড্রাইভিং লাইসেন্স, ১ অক্টোবর থেকে ১০টি ক্ষেত্রে নিয়ম বদল

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ডেবরার চণ্ডীপুর এলাকায় ফুল চাষের জমিতে ওই কিশোরীকে অর্ধনগ্ন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন ফুলচাষিরা। সেই সময় ওই কিশোরীর নাম পরিচয় জানা যায়নি। ডেবরা থানার পুলিশ পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। 

আরও পড়ুন-'নুন আনতে পান্তা ফোরায়', দরিদ্র বৃদ্ধার ভাগ্য ফেরাল ৩ লাখের 'ভোলা ভেটকি'
প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, ঘটনাস্থল থেকে আড়াই কিলোমিটার দূরে আজমতপুর এলাকার বাসিন্দা ওই কিশোরী। কয়েকমাস আগে বাড়ির অমতে পালিয়ে বিয়ে করেছিল সে। শ্বশুর বাড়িতে প্রায়ই গন্ডগোল হওয়ায় বাপের বাড়ি আজমতপুরে এসে থাকত। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ি থেকে বেরোনোর পর তার আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। এদিন সন্ধ্যায় তাঁর দেহ উদ্ধার হয়।