করোনা সতর্কতায় লকডাউন চলছে রাজ্যে। মানুষকে ঘরবন্দি করে রাখতে প্রশাসনের তৎপরতার অভাব নেই। কিন্তু পশু-পাখিদের আটকে রাখবে কে! শুনসান আদালত চত্বরে আহত হনুমানের চিকিৎসার ব্যবস্থা করলেন কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরাই। মানবিকতা সাক্ষী থাকল মেদিনীপুর শহর।

আরও পড়ুন: লকডাউনে খাদ্যের সংকট, পথকুকুরদের রান্না করা খাবার খাওয়ালেন পশুপ্রেমীরা

বছরভর মানুষের আনাগোনা লেগেই থাকে। কিন্তু লকডাউনের শহরে এখন ভিড় নেই আদালত চত্বরেও। এলাকায় নজরদারি চলছে পুলিশের। রবিবার সকালে মেদিনীপুরে ফাঁকা আদালত চত্বরে এসে হাজির হয় একটি হনুমান! কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা খেয়াল করেন, রক্তাক্ত প্রাণীটি গাছে ডালে বসে রীতিমতো যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পুলিশকর্মীদের ইশারার অবোধ শিশুর মতোই গাছ থেকে নেমে আসে হনুমানটি। রামভক্তকে গাড়িতে তুলে প্রাথমিক চিকিৎসা করেন পুলিশকর্মীরা। একটু সুস্থ হয়ে ওঠার পর হনুমানটি চলে যায়। পুলিশের মানবিকতাকে মানবিকতায় খুশি শহরের পশুপ্রেমীরা। 

আরও পড়ুন: অনাহারী পথ প্রাণীদের পেট পুজো করালো জগৎ মুখার্জি পার্ক দুর্গাপুজো কমিটি

লকডাউনে বাংলার যে শুধু মানুষকেই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে, তা কিন্তু নয়। বিপাকে পড়েছে অবলা প্রাণীরাও। রাস্তাঘাট শুনসান, বন্ধ দোকানপাঠ ও হোটেলও। খাবার জুটছে না পথকুকুরদের। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে, যে অপুষ্টিতে ভুগে কুকুরদের মৃত্যুর আশঙ্কাও করছেন পশুপ্রেমীরা। কলকাতা-সহ রাজ্যে বিভিন্ন প্রান্তে লকডাউনের বাজারে সারমেয়দের খাওয়ার ব্যবস্থা করছেন অনেকেই।