ক্রমশ সংক্রমনের মাত্রা বাড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস। সারা দেশ জুড়ে সংক্রমণের সংখ্যা ১৯০০ ছাড়িয়েছে। চিকিৎসক থেকে শুরু করে বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতারা বারংবার করে সকলের কাছে অনুরোধ করে চলেছেন প্রত্যেক নাগরিককে নিজের নিজের বাড়িতেই যথাসম্ভব সময় কাটানোর। খুব প্রয়োজন না পড়লে বাড়ির বাইরে বেরোতে নিষেধ করা হচ্ছে দফায় দফায়। অসচেতন লোকেদের সংখ্যা নেহাত কম নয়। তারাও নিষেধ অগ্রাহ্য করে বেরোনোয় পুলিশের লাঠি চালানোর মতো ঘটনাও ঘটেছে বেশ কিছু। কিন্তু যে সকল জায়গায় সচেতন নাগরিকদের বাস সেই সকল জায়গায় নিয়ম মেনেই পালিত হচ্ছে লকডাউন। বন্ধ রাখা হচ্ছে পাড়ার চায়ের দোকান থেকে শুরু করে মাংসের দোকানগুলিও। ফলে খাদ্যের অভাব দেখা দিচ্ছে সেই এলাকার সারমেয় গনের। এই অবস্থায় তাদের এলাকার পথপ্রাণীদের মুখে খাদ্য তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিলেন জগৎ মুখার্জি পার্ক দুর্গাপুজো কমিটি। 

আরও পড়ুন, বিদ্যুতের বিলে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বিশেষ ছাড়, স্বস্তিতে রাজ্য়বাসী

জগৎ মুখার্জি দুর্গাপুজো কমিটির তরফ থেকে তাদের ১ লা এপ্রিল সোমবার তাদের এলাকার পথপ্রাণীদেরকে খাওয়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। একত্রিত করা হয় এলাকার কুকুর-বেড়ালদের মতো প্রাণীদের। তাদের খাওয়ানোর জন্য মোট ২৫ কিলোগ্রাম চাল এবং ১০ কিলোগ্রাম মাংসের বন্দোবস্ত করা হয়েছিল। নিজের নিজের সামর্থ মতো সাহায্য করেছিলেন এলাকায় বাসিন্দারা। এরপর সারাদিন ধরে গোটা এলাকার কুকুর, বেড়াল, পাখিদের খাওয়ানোর পালা চলে। 

আরও পড়ুন, ফের করোনা আক্রান্তের শেষকৃত্যে তুলকালাম, ধাপার শ্মাশানে বিক্ষোভ স্থানীয়দের

এই মানবিক উদ্যোগে খুশি এলাকার সকলেই। তারা জানিয়েছেন এই দুর্দিনে যদি এলাকার মানুষ কিছু না করে তবে সারমেয়দের পক্ষে বেঁচে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়বে। তারা অন্যান্য এলাকার মানুষদের কাছেও তাদের এলাকার পথপ্রাণীদের পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছেন। সাথে সাথে প্রত্যেককে নিজের বাড়িতে থাকার অনুরোধও জানিয়েছেন তারা।

ফের তথ্য গোপন করোনা আক্রান্ত প্রৌঢ়ের ভাইয়ের, আইসোলেশনে ভর্তি বরানগরের বাসিন্দা

জ্বর নিয়েই ট্রেন করে একটানা অফিস, ভয়ে কাঁটা রাজ্য়ের করোনা আক্রান্তর সহকর্মীরা
 

রাজ্যে আরও এক করোনা আক্রান্তের হদিশ,সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে ২২