সিএএ প্রতিবাদের ছায়া এবার ধরা দিল মেদিনীপুরের উরুশ উৎসবকে ঘিরে। উৎসবের আগেই আয়োজকদের সঙ্গে বৈঠক সারল প্রশাসনের কর্তারা।  অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও ফেব্রুয়ারি মাসেই মেদিনীপুর শহরে আয়োজিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক উরুশ উৎসব। যেখানে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন প্রতিবেশী দেশ থেকে পুণ্যার্থীরা হাজির হবেন। তবে এবার পরিস্থিতি খানিকটা আলাদা হওয়ায় এবার উদ্যোক্তাদের সঙ্গে আলাদাভাবে বৈঠক করলেন জেলা প্রশাসনের কর্তারা।

আগামী ১৭ ই ফেব্রুয়ারি মেদিনীপুর শহরের মিঁয়াবাজার  এলাকাতে আয়োজিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক উরুশ উৎসব। ইতিমধ্যেই সেই উৎসবের আগে মেলার সাজে সজ্জিত হতে শুরু করেছে মিঁয়াবাজার। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দোকানদার ও পুণ্যার্থীরা সমবেত হয়েছেন ইতিমধ্য়েই। তবে প্রধান উৎসবটি শুরু হবে ১৭ ই ফেব্রুয়ারি। তার আগেই প্রশাসনিক বৈঠকে ডাকা হল উদ্যোক্তাদের।

অন্যান্য বারের তুলনায় এবার উরুশ উৎসব-এর উদ্যোক্তাদের খানিকটা চিন্তার কারণ রয়েছে। এনআরসি সহ বিদেশি মুসলিমদের ভারতবর্ষে প্রবেশের ক্ষেত্রে অনেক বেশি কড়াকড়ি শুরু হয়েছে‌। তাই বৈধ পাসপোর্ট ভিসা থাকলেও সকলেই যে সহজে উপস্থিত হতে পারবেন তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। ১৭ ই ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের উরুশ স্পেশাল ট্রেনে করে আড়াই হাজারের বেশি পুণ্যার্থী মেদিনীপুর শহরে উপস্থিত হওয়ার কথা।

এছাড়াও বাংলাদেশিদের পুণ্যার্থী হিসাবে উপস্থিতি এবং তাদের চলে যাওয়ার ক্ষেত্রে পুরো বিষয়টি এবার একটু কড়া নজরে দেখার উদ্যোগ রয়েছে প্রশাসনের। তাই সে বিষয়ে উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য বৈঠকের আয়োজন হয় সোমবার দুপুরে। মেদিনীপুর শহরের মেদিনীপুর পৌরসভা হলে এই বৈঠক হয়। মেদিনীপুর টাউন মুসলিম কমিটির সম্পাদক ওয়াহেদ আলি জানান," অবৈধতার কিছু নেই, বৈধ পাসপোর্ট ভিসা নিয়ে সহজে যে কেউ প্রবেশ করতে পারবে এই উৎসবে। তবে খানিকটা চিন্তিত অনেকেই। তাই প্রশাসনের সঙ্গে আমরা কথা বলে পরিস্থিতি জানার চেষ্টা করছি।"