ফের করোনার থাবা মেদিনীপুরে সংক্রমিত নার্স ও পুলিশকর্মী এলাকাটি ঘিরে ফেলল পুলিশ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে দুটি নার্সিংহোমও

শাহাজাহান আলি, মেদিনীপুর: একজন পুলিশকর্মী, আর একজন নার্স। ফের করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলল পশ্চিম মেদিনীপুরে। আক্রান্তদের পরিবারের লোকেদের কোয়ারেন্টাইন পাঠিয়ে এলাকা ঘিরে ফেলেছে প্রশাসন। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে দুটি নার্সিংহোম।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন: বেসরকারি হাসপাতালে শ্বাসকষ্টে রোগীর মৃত্যু, আতঙ্ক ছড়াল শিলিগুড়িতে

করোনা আক্রান্ত পুলিশকর্মীর বাড়ি চন্দ্রকোনা পুর এলাকায় মল্লেশ্বরপুরে। কলকাতায় রাজ্যের প্রাক্তন এক মন্ত্রীর দেহরক্ষী তিনি। পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন, ১১ মে গ্রামের বাড়িতে ফিরেছিলেন ওই পুলিশকর্মী এবং সেদিনই বাইক নিয়ে বেরিয়ে পড়েন। পথে দুর্ঘটনায় পায়ের হাড় ভাঙে তাঁর। এরপর চন্দ্রকোনাতেই এক আত্মীয়ের নার্সিংহোমে ওই পুলিশকর্মীকে ভর্তি করা হয়। পরে রোগীকে স্থানান্তরিত করা হয় কলকাতা মুকুন্দপুরের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে। রুটিন পরীক্ষায় করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে জেলা প্রশাসন। শুক্রবার সকালে চন্দ্রকোনায় মল্লেশ্বরপুর এলাকাটি রীতিমতো বাঁশ দিয়ে ঘিরে ফেলেন পুলিশকর্মীরা। শুধু তাই নয়, যে নার্সিংহোমে ভর্তি ছিলেন করোনা আক্রান্ত ওই ব্যক্তি, সেই নার্সিংহোমটিও বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। নার্সিংহোমে আর কারা ভর্তি ছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

আরও পড়ুন: লকডাউন না মানার 'মাশুল', আচমকাই বজ্রপাতে প্রাণ গেল চারজনের

আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা ৮,বাংলায় মোট আক্রান্ত ২৩৭৭

এদিকে আবার দিন কয়েক আগে হৃদযন্ত্রের সমস্যা নিয়ে মেদিনীপুর শহরে একটি নার্সিংহোমে ভর্তি হন ক্ষীরপাই এলাকার বাসিন্দা এক বৃদ্ধ। কলকাতার হাসপাতালে পেসমেকার বসানোর আগে যখন স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন চিকিৎসকরা, তখন রোগীর করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, মেদিনীপুরে যে নার্সিংহোমে ভর্তি ছিলেন ওই বৃদ্ধ, সেই নার্সিংহোমের একজন নার্সও সংক্রামিত হয়েছেন। করোনা সতর্কতায় নার্সিংহোমটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বাঁশ দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে লাগোয়া এলাকাও।