প্রথমবারের জন্য পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশে পুলিশ অফিসার হলেন এক হিন্দু মহিলা। নাম তার পুষ্পা কোলহি। সম্প্রতি তিনি প্রাদেশিক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা পাস করে অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর বা এএসআই-এর দায়িত্ব নিয়েছেন।

পাকিস্তানের হিন্দু মানবাধিরকার কর্মী কপিল দেব এই খবর জানিয়েছেন। টুইট করে তিনি বলেন, প্রথম হিন্দু মহিলা হিসেবে পুষ্পা কোলহি সিন্ধ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা পাস করেছেন। তিনি যাতে আরও উন্নতি করতে পারেন সেই কামনাই করেছেন কপিল।

এর আগে চলতি বছরেই পাকিস্তানে আরও এক হিন্দু মহিলা ইতিহাস গড়েছিলেন। সিভিল জাজ ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের পরীক্ষায় তিনি ৫৪তম স্থান দখল করেন সুমন পবন বোদানি। গত জানুয়ারিতেই তিনি প্রথম হিন্দু মহিলা হিসেবে পাকিস্তানে প্রথম সিভিল জাজ ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিযুক্ত হন।

পুষ্পার এই সাফল্যের কথা জেনে স্বাভাবিকভাবেই পাকিস্তানি হিন্দু সম্প্রদায় অত্যন্ত খুশি। বিদেশী সংবাদমাধ্যমেও দারুণ প্রচার পাচ্ছেন পুষ্পা। সোশ্যাল মিডিয়ায় হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বহু মানুষ।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী পাকিস্তানে প্রায় ৭৫ লক্ষ হিন্দু বসবাস করেন। সেই দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে হিন্দুদের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। দেশে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার নিয়ে বেশ অস্বস্তিতে রয়েছেন ইমরান খান। সংখ্যালঘুদের বিশ্বাস অর্জনে শিব মন্দির পরিদর্শন থেকে শুরু করে শিখদের সভায় বক্তব্য রাখা - চেষ্টার ত্রুটি রাখছেন না ইমরান। কিন্তু ৭০ বছর পর, এই দুই সংখ্যালঘু নারীর এই সাফল্যে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি আগে ইচ্ছে করে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফল খারাপ করানো হত হিন্দুদের?