- Home
- Religion
- Kojagari Lakshmi Puja 2027: পরের বছর অষ্টমীর পর দুদিন ধরে লক্ষ্মীপুজো! পুজোর সঠিক সময় কোনটা?
Kojagari Lakshmi Puja 2027: পরের বছর অষ্টমীর পর দুদিন ধরে লক্ষ্মীপুজো! পুজোর সঠিক সময় কোনটা?
যে পথে গেছেন উমা, সে পথেই ফিরবেন শ্যামা। আপাতত বিজয়া দশমীর সিঁদুর খেলা আর কোজাগরী পূর্ণিমায় লক্ষ্মী আরাধনা শেষে কালীপুজোর দিকেই তাকিয়ে বিষাদগ্রস্থ বাঙালি। তবে এরই মাঝে এসেছে সুখবর। ২০২৭ সালে ২ দিন ধরে চলবে কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো!

২০২৭ সালে নাকি দুদিন অষ্টমী। অর্থাৎ আনন্দের মেয়াদ বাড়ল। তেমনই আরেক খবরে বেশ খুশি সবাই। ২০২৭ সালে ২ দিন ধরে চলবে কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো!

আপনিও কি ভাবছেন ২০২৭ সালে মা লক্ষ্মী কবে বাঙালির ঘরে ঘরে ধানের ছড়া আর আলপনার আলতো ছোঁয়ায় পূজিতা হবেন? তাহলে দেখে নিন আগামী ২০২৭ সালের শারদোৎসব ও কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর সম্পূর্ণ নির্ঘণ্ট ও নির্ভুল তিথি।
আগামী ২০২৭ সালে মহালয়া পড়েছে ২৯ সেপ্টেম্বর, বুধবার। তবে বিশুদ্ধ পঞ্জিকার নিয়ম অনুযায়ী, পরের দিন অর্থাৎ ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা অবধি অমাবস্যা তিথি বজায় থাকবে। মহালয়ার সূচনার মধ্য দিয়েই দেবীপক্ষের আগমন ঘটে, আর তার ১৫ দিনের মাথায় আসে কোজাগরী পূর্ণিমা। অন্যদিকে, ২০২৭ সালে শারদীয়া দুর্গাপুজোর মূল আনন্দ শেষে ১০ অক্টোবর, রবিবার পালিত হবে বিজয়া দশমী।
বিজয়া দশমীর ঠিক চার দিনের মাথায় অনুষ্ঠিত হয় কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। ২০২৭ সালে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো অনুষ্ঠিত হবে ১৪ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার।
পঞ্জিকা অনুসারে, ২০২৭ সালের ১৪ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা বেজে ৪৯ মিনিটে কোজাগরী পূর্ণিমা তিথি শুরু হচ্ছে। ১৪ এবং ১৫ অক্টোবর— এই দুই দিন জুড়েই পূর্ণিমা তিথি বিদ্যমান থাকলেও, নিশিযাপন ও পুজোর বিধান মেনে ১৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবারই শাস্ত্রসম্মতভাবে পালিত হবে লক্ষ্মীপুজো।
লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, কোজাগরী পূর্ণিমার শুভ রাতে শ্রী ও সমৃদ্ধির দেবী মহালক্ষ্মী স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যধামে নেমে আসেন এবং পৃথিবী ভ্রমণে বের হন। এই রাতে যাঁরা জেগে থেকে দেবীর ভক্তিভরে আরাধনা করেন, দেবী তাঁদের গৃহেই প্রবেশ করেন এবং অশেষ কৃপা বর্ষণ করেন। জাগ্রত ভক্তদের ঘরেই ঠাঁই নেন ধনদেবী, দূর হয় দারিদ্র্য ও অমঙ্গল।
যেহেতু শাস্ত্র মতে লক্ষ্মীপুজোর জন্য পূর্ণিমা নিশি (রাত) পাওয়া অত্যন্ত আবশ্যক, তাই ১৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধেতেই পূর্ণিমা তিথি পড়ে যাওয়ায় ওই দিন রাতেই দেবী লক্ষ্মীর আবাহন ও আরাধনা অনুষ্ঠিত হবে। ফলে আগাম পরিকল্পনা করে এখন থেকেই আগামী বছরের উৎসবের প্রস্তুতিতে মেতে উঠতে পারেন প্রতিটা বাঙালি পরিবার!

