লিভারপুলকে ২-০ গোলে হারিয়ে এফ এ কাপের শেষ আটে পৌছে গেল চেলসি। অপরদিকে ডিফেন্স ও গোলকিপারের হতশ্রী পারফরমেন্সের কারণে প্রতিযোগিতার পঞ্চম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিল উর্গেন ক্লপের লিভারপুল। যদিও দুই দলেই ছিলেন না একাধিক তারকা প্লেয়ার। চোটের কারণে চেলসি দলে ছিলেন না আব্রাহাম, পুলিসিচ, কান্তে, ক্রিশ্চিয়ানসন, হাডসন ওদো। অপরদিকে শুরুর থেকে না খেললেও পরে পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামেন লিভারপুলের সালহা, ফিরমিনহোরা। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি লিভারপুলের।

আরও পড়ুনঃপ্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসাবে নজির তামিমের, ছুঁলেন ৭ হাজার রানের মাইলস্টোন

স্ট্যান্ড ফোর্ড ব্রিজে ম্যাচ শুরু আগের থেকেই চড়ছিল উন্মাদনার পারদ। ম্যাচের প্রথম থেকেই আক্রমণের ঝড় তোলে চেলসি। রক্ষণ সামলে পালটা প্রতি আক্রমণে যাচ্ছিল লিভারপুলও। কিন্তু ম্যাচের ১৩ মিনিটে লিভারপুল ডিফেন্সের ভুলে বল পান উইলিয়ান। তাকে রুখতে ব্যর্থ হয় লিভাপুলের ডিফেন্ডাররা। সেই সুযোগে গোলমুখী শটও নেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। সহজ বল লিভারপুল গোলরক্ষকের হাতে লেগে জালে জড়িয়ে যায়। উইলিয়ানের করা গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় চেলসি।  এরপর ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলই একাধিক আক্রমণ করলেও কেউই গোলের মুখ খুলতে সমর্থ হয়নি। যদিও লিভারপুলের তুলনায় চেলসির আক্রমণের মাত্রা ছিল অনেক বেশি।

আরও পড়ুনঃসেমিতে ভারতের সামনে ব্রিটিশ চ্যালেঞ্জ, অস্ট্রেলিয়ার সামনে দক্ষিণ আফ্রিকা

আরও পড়ুনঃভালো পারফরম্যান্সের সুফল, হকিতে রাঙ্কিং এগোলো ভারতীয় পুরুষ দলের

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে লিভারপুল সমর্থকরা ভেবছিলেন লড়াইয়ে ফিরবে দল। রণনীতিতেও বেশ কিছু পরিবর্তন আনেন ক্লপ। কিন্তু পাল্টা স্ট্র্যাটেজি নিয়ে তৈরি ছিলেন চেলসি কোচ ল্যাম্পার্ডও। যার ফলস্বরূপ দ্বিতীয়ার্ধের ৬৪ মিনিটে একক দক্ষতায় বিশ্বমানের গোল করে দলের ব্যবধান বাাড়ান  রস বার্কলে। মাঝমাঠের নীচ থেকে একা বল নিয়ে উঠে গোল করেন বার্কলে। তার দুরন্ত গতির কাছে কার্যত অসহায়ভাবে আত্মসমর্পন করেন রবার্টসন, ভ্যান জিক, গোমেজ, উইলিয়ামসরা। ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি লিভারপুল। পরিবর্ত হিসেবে  নেমেও ম্যাচের রং পাল্টাতে পারেননি সালহা, ফিরমিনহোরা। অপরদিকে ভাগ্য সহায় থাকলে গোলের ব্যাবধান আরও বাড়াতে পারত চেলসি। চেলসি স্ট্রাইকার জিরুর একটি শট গোলপোস্টে লেগে প্রতিহত হয়। এছাড়াও বেশ কয়েকটি সুযোগ মিস করে চেলসি অ্যাটাকিং লাইন। যদিও দলের ২-০ গোলে জয় ও শেষ আটে পৌছনোয় খুশি চেলসি কোচ ল্যাম্পার্ড ও ক্লাবের সমর্থকরা।