Big Bash League 2027-28: আইপিএল-এর (IPL) মতো না হলেও, ক্রিকেট দুনিয়ায় বেশ জনপ্রিয় অস্ট্রেলিয়ার (Australia) বিগ ব্যাশ লিগ। ভারতের কোনও পুরুষ ক্রিকেটার এই লিগে খেলার অনুমতি পাননি। তাঁদের বিদেশের টি-২০ লিগে খেলার অনুমতি দেয় না বিসিসিআই (BCCI)। তবে আইপিএল-এর ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির কর্ণধাররা বিদেশের লিগে বিনিয়োগ করতে পারেন।
KNOW
Cricket Australia: বিগ ব্যাশ লিগে (Big Bash League) বেসরকারি বিনিয়োগ আনার পথে বড় পদক্ষেপ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (CA)। প্রথম ক্লাব হিসেবে বিক্রি হতে চলেছে মেলবোর্ন রেনেগেডস (Melbourne Renegades)। নতুন মালিকানায় ২০২৭-২৮ মরসুম শুরু করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ। মেলবোর্ন রেনেগেডসের জন্য বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে দরপত্র আহ্বান করতে চলেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। এই পদক্ষেপ সফল হলে ভবিষ্যতে বিগ ব্যাশ লিগের অন্য ক্লাবগুলিও একই পথে হাঁটতে পারে। তবে এরপর কোনও ক্লাব বিক্রির ক্ষেত্রে ‘সেলফ-ডিটারমিনেশন মডেল’ অনুসরণ করা হবে। অর্থাৎ, নিজেদের ক্লাব ও স্থানীয় ক্রিকেট-সমাজের জন্য কোন পথ সবচেয়ে উপযুক্ত, তা সংশ্লিষ্ট রাজ্যের সদস্য সংস্থাই ঠিক করবে।
নতুন পথে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার চেয়ারম্যান মাইক বেয়ার্ড (Mike Baird) বলেছেন, ‘বিবিএল ও ডব্লুবিবিএল-এ বিনিয়োগ ও তাদের আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া এবং রাজ্য সদস্য সংস্থাগুলি ঐক্যবদ্ধ। ক্রিকেটের প্রতিটি স্তরের স্বার্থ এগিয়ে নিয়ে যাওয়াও আমাদের লক্ষ্য। বিগ ব্যাশ লিগে বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া খেলাটির দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎকে আরও শক্তিশালী ও সুরক্ষিত করার জন্য একটি সুচিন্তিত পদক্ষেপ নিচ্ছে।' তিনি আরও বলেন, 'রেনেগেডসের বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু করা আমাদের সদস্যদের জন্য সেলফ-ডিটারমিনেশন মডেলের প্রথম পদক্ষেপ। অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।’
নিয়ন্ত্রণ থাকছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ারই হাতে
তবে বেসরকারি মালিকানা এলেও অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির নিয়ন্ত্রণ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া ও রাজ্য সদস্য সংস্থাগুলির হাতেই থাকবে বলে স্পষ্ট করেছেন বেয়ার্ড। তাঁর কথায়, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট পরিচালনার মূল ক্ষেত্রগুলির নিয়ন্ত্রণ CA এবং তার সদস্যদের হাতেই থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক সূচি, খেলোয়াড়দের প্রাপ্যতা, বিগ ব্যাশ লিগের বেতনসীমা, ব্র্যান্ডিং সংক্রান্ত প্রস্তাব, লাইসেন্স পরিচালনার ক্ষেত্রে ন্যূনতম নির্ধারিত মূল্য এবং বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন।’ বেয়ার্ড জানান, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বহু মাস ধরে বিস্তারিত বিশ্লেষণ, আলোচনা ও সমন্বয় করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। গত কয়েক মাস ধরে এ নিয়ে বিপুল পরিমাণ বিশ্লেষণ, আলোচনা এবং যৌথ কাজ হয়েছে। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেককে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমরা মনে করি, অস্ট্রেলিয়ায় ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার, বিগ ব্যাশকে আরও শক্তিশালী করার এবং বিশ্বমঞ্চে আমাদের অবস্থান ধরে রাখার জন্য এটাই সবচেয়ে ভালো পথ।’ মেলবোর্ন রেনেগেডসের বিক্রির প্রক্রিয়া সফল হলে অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে বেসরকারি বিনিয়োগের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে অন্যান্য বিবিএল ও ডব্লুবিবিএল ক্লাবের মালিকানা কাঠামোতেও পরিবর্তনের পথ খুলে যেতে পারে।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


