Cricketer Suicide: সব ক্রিকেটারই বড় জায়গায় সুযোগ পাওয়ার লক্ষ্যে খেলা চালিয়ে যান। কিন্তু সবার পক্ষে দলে সুযোগ পাওয়া সম্ভব হয় না। কোনও দলে সুযোগ না পেলে ভেঙে পড়ার বদলে লড়াই চালিয়ে যাওয়া উচিত। কিন্তু পুদুচেরির (Puducherry) এক ১৯ বছর বয়সি উঠতি ক্রিকেটার দলে সুযোগ না পেয়ে চরম সিদ্ধান্ত নিলেন। এই ঘটনায় ক্রিকেট মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

DID YOU
KNOW
?
বাড়ছে মানসিক চাপ
তরুণ-তরুণীদের মধ্যে মানসিক চাপ বাড়ছে। সাফল্য না পেলে হতাশাও বাড়ছে। এরই চরম পরিণতি দেখা গেল পুদুচেরিতে।

Cricket News: পেশাদার ক্রিকেটার হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণের পথে বাধা তৈরি হতেই আত্মহননের পথ বেছে নিলেন ১৯ বছর বয়সি এক তরুণী। এই ঘটনা ঘটেছে পুদুচেরিতে (Puducherry)। এই ক্রিকেটারের নাম অ্যাঞ্জেল গাঙ্গওয়ানি (Angel Gangwani)। তাঁর বাবার নাম কাশ্মীর কুমার (Kashmir Kumar)। তিনি পেশায় একজন জিএসটি সুপারিন্টেন্ডেন্ট (GST Superintendent)। পেশাগত কারণে গত ১২ বছর ধরে চেন্নাইয়ে (Chennai) থাকেন এই ব্যক্তি। তবে কলেজ পড়ুয়া মেয়ে পুদুচেরিতেই থাকছিলেন। তিনি পুদুচেরির থিলাসপেট (Thilaspet) অঞ্চলে এক ক্রিকেট কোচিং সেন্টারে প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন। এই তরুণী সম্প্রতি থুতিপেট (Thutipet) অঞ্চলে পুদুচেরির টি-২০ দলের বাছাই পর্বে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু চূড়ান্ত দলে জায়গা পাননি। এই কারণে হতাশায় ভেঙে পড়েন অ্যাঞ্জেল। এরপরেই তিনি নিজের জীবন শেষ করে দেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

উঠতি ক্রিকেটারের জীবন শেষ

সোক্কানাথানপেট (Sokkanathanpet) অঞ্চলে এক ভাড়াবাড়িতে থাকতেন অ্যাঞ্জেল। তিনি ভেলরামপেট (Velrampet) অঞ্চলে এক বেসরকারি কলেজে বিবিএ (BBA) দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া ছিলেন। পড়ার পাশাপাশি খেলা চালিয়ে যাচ্ছিলেন এই তরুণী। তিনি যে বাড়িতে ভাড়া থাকতেন সেই বাড়ির মালিক জানিয়েছেন, বুধবার রাত আটটা নাগাদ অনুশীলন সেরে বাড়িতে ফেরেন এই তরুণী। রাতের দিকে তাঁকে ফোন করেন কোচ। কিন্তু ফোন ধরেননি অ্যাঞ্জেল। এরপর তাঁর ঘরে গিয়ে কোচ দেখতে পান, পাখা থেকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছেন এই তরুণী। এরপর কোচ ও বাড়ির মালিক মিলে এই তরুণীকে কাথিরকামাম (Kathirkamam) অঞ্চলে সরকারি মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যান। কিন্তু সেখানকার চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

মানসিক চাপেই আত্মহনন?

পড়াশোনা ও খেলায় সাফল্য পাওয়ার চেষ্টা করছিলেন অ্যাঞ্জেল। কিন্তু তিনি ক্রিকেটে সেভাবে সাফল্য পাচ্ছিলেন না। এই কারণে হতাশায় ভেঙে পড়েন। সেই হতাশা থেকেই নিজের জীবন শেষ করে দিলেন। একা ভাড়াবাড়িতে থাকায় চরম মানসিক সমস্যার সময় পরিবারের কাউকে পাশে পাননি। এই কারণেই হতাশা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারলেন না এই তরুণী।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।