India vs New Zealand Series: কয়েকদিন পরেই শুরু হচ্ছে ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজ। নিউজিল্যান্ড সফরে যাচ্ছে ভারতীয় দল। এবার ভারত-নিউজিল্যান্ড ক্রীড়া-সম্পর্কের শতবর্ষ। সে কথা মাথায় রেখে ভারত-নিউজিল্যান্ড ওডিআই সিরিজে বিশেষ জার্সি পরে খেলবে নিউজিল্যান্ড দল।
KNOW
India vs New Zealand ODI Series: ভারত ও নিউজিল্যান্ডের ক্রীড়া সম্পর্কের শতবর্ষ উদযাপন করতে বিশেষ উদ্যোগ নিল নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট (New Zealand Cricket)। ওডিআই সিরিজের জন্য নিউজিল্যান্ডের নতুন জার্সি তৈরি করা হয়েছে। দুই দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে তৈরি করা হয়েছে এই জার্সি। ‘কোটাহিতাঙ্গা’ (Kotahitanga) নামের এই বিশেষ জার্সিতে ফুটে উঠেছে ভারতীয় শিল্পকলা এবং নিউজিল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী মাওরি নকশা। পদ্মফুল, মান্ডালা শিল্পকলা এবং মাওরি সংস্কৃতির চিরাচরিত নকশা দিয়ে সাজানো হয়েছে জার্সিটি। দুই দেশের দীর্ঘদিনের ক্রীড়া সম্পর্ককে সম্মান জানাতেই এই বিশেষ উদ্যোগ বলে জানিয়েছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট।
জার্সিতে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ছোঁয়া
৪ নভেম্বর ভারত-নিউজিল্যান্ডের পাঁচ ম্যাচের ওডিআই সিরিজ শুরু হবে। এই সিরিজে নতুন জার্সি পরেই মাঠে নামবেন নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটাররা। এই জার্সির নকশা তৈরিতে কাজ করেছেন তিন শিল্পী বেন টমাসন, শিব নারানদাস এবং জয় পঞ্চা। প্রত্যেকেই জার্সির নকশায় নিজেদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ছোঁয়া দিয়েছেন। ভারতীয় বংশোদ্ভূত নারানদাস ও পঞ্চা জার্সিতে ব্যবহার করেছেন তিনটি ভারতীয় নকশা—পদ্মফুল, ওজি নকশা এবং মান্ডালা শিল্পকলা। পদ্ম ভারতের জাতীয় ফুল। ভারতীয় স্থাপত্যে বহুল ব্যবহৃত ওজি নকশার পাশাপাশি মণ্ডলের প্রতিসম গঠন মাওরি শিল্পকলার সঙ্গে এক অনন্য সামঞ্জস্য তৈরি করেছে। অন্যদিকে, টমাসন জার্সিতে যোগ করেছেন মাওরি সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী ‘কোহোয়াইহোয়াই’ (Kowhaiwhai) স্ক্রলওয়ার্ক এবং ‘হায়েহায়ে’ (Haehae) রেখার নকশা।
নতুন জার্সি দেখে খুশি নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট
সবমিলিয়ে এই জার্সি শুধু ক্রিকেটের পোশাক নয়, বরং দুই দেশের সাংস্কৃতিক ঐক্য এবং দীর্ঘদিনের ক্রীড়া সম্পর্কের প্রতীক হয়ে উঠেছে। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের চিফ মার্কেটিং অ্যান্ড কমার্শিয়াল অফিসার গ্লেন ক্রিচলি এই নকশার প্রশংসা করেছেন। তাঁর কথায়, 'এই নকশা নিয়ে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। শিল্পীরা স্বতন্ত্র মাওরি এবং ভারতীয় শিল্পকলার মধ্যে দারুণ ভারসাম্য তৈরি করেছেন। দুই দেশের বন্ধনকেই ফুটিয়ে তুলেছে এই জার্সি।' তিনি আরও বলেছেন, 'নিউজিল্যান্ড ও ভারতের মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলার ক্ষেত্রে খেলাধুলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আমরা আশা করি, এই জার্সি আগামী বহু বছর ধরে দুই দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে সংগ্রহে রাখার মতো একটি স্মারক হয়ে থাকবে।' জার্সি তৈরির সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে আবেগাপ্লুত ভারতীয় বংশোদ্ভূত শিল্পী নারানদাসও। তিনি বলেছেন, ‘এই জার্সি যেন এখানে আমাদের জীবনের যাত্রাপথের প্রতিচ্ছবি। এই প্রকল্পে যে আবেগ ও শক্তি ঢেলে দেওয়া হয়েছে, আশা করি প্রত্যেকেই তা অনুভব করতে পারবেন এবং গর্বের সঙ্গে জার্সিটি পরবেন।’
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


