East Bengal: কলকাতার নামী ফুটবল ক্লাবে কোচিং করাতে এসে কি রাজনীতির স্বীকার হলেন আইএসএল জয়ী কোচ অস্কার ব্রুজো? অন্তত পরিস্থিতি সেইরকমই। কার্যত, ইস্টবেঙ্গল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন প্রাক্তন কোচ অস্কার ব্রুজ়ো। তাঁর ক্লাব ছাড়ার বিষয়টিও ভালোভাবে নেননি অনেকেই। সরাসরি কারও নাম না নিলেও রীতিমতো বিস্ফোরক লাল হলুদ ব্রিগেডের প্রাক্তন কোচ।

East Bengal: ইস্টবেঙ্গলকে একমাত্র আইএসএল ট্রফি তিনিই এনে দিয়েছেন। স্প্যানিশ জেন্টলম্যান অস্কারব্রুজো (East Bengal)। সেই তাঁকেই কিনা এক ক্লাব কর্তার জন্য পড়তে হয়েছে চরম সমস্যায়। কলকাতার নামী ফুটবল ক্লাবে কোচিং করাতে এসে কি রাজনীতির স্বীকার হলেন আইএসএল জয়ী কোচ অস্কার ব্রুজো? অন্তত পরিস্থিতি সেইরকমই। কার্যত, ইস্টবেঙ্গল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন প্রাক্তন কোচ অস্কার ব্রুজ়ো। তাঁর ক্লাব ছাড়ার বিষয়টিও ভালোভাবে নেননি অনেকেই। সরাসরি কারও নাম না নিলেও রীতিমতো বিস্ফোরক লাল হলুদ ব্রিগেডের প্রাক্তন কোচ (East Bengal latest news)।

ইস্টবেঙ্গল কর্তার কথা শুনে ড্রেসিংরুম থেকে বের করে দেন ব্রুজো

East Bengal: লাল হলুদ আবেগের বিস্ফোরণ! রশিদ থেকে অস্কার এবং বাঁধনহারা উচ্ছ্বাস, এক্সক্লিউসিভ 'চ্যাম্পিয়ন'-রা

তিনি সেই কর্তাকে ‘মাস্টার’ বলে সম্বোধন করেছেন। অস্কারের অভিযোগ, সেই ‘মাস্টার’ বারবার কাজের মধ্যে এসে হস্তক্ষেপ করতেন। তাঁকে একাধিকবার ড্রেসিংরুম থেকে বেরও করে দেন। ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন কোচ পরিষ্কার বলেছেন, “মরশুমের শেষ ম্যাচের আগে ‘মাস্টার' কয়েকজনকে বলেন, রেফারি আমাদের পক্ষে থাকবেন। তাঁর সেই দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা ছিল। যারা ম্যাচটি দেখেছেন, তারা জানেন যে, রেফারি সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে ম্যাচটি পরিচালনা করেন। উনি সবসময় দলের সঙ্গে ঘুরে বেড়াতেন। আসলে দলের পাশে থাকার বদলে নিজের প্রভাব বজায় রাখাই ছিল ‘মাস্টার'-এর উদ্দেশ্য। একাধিকবার দলের কাছাকাছি আসতেন এবং নানারকমের তথ্য জানবার চেষ্টা করতেন। দলের ভিতরের সমস্ত খবর চলে যেত তাঁর ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যমগুলির কাছে। ইচ্ছা করে কৌশলগত তথ্য পরিকল্পিতভাবে ফাঁস করে দেওয়া হত। এর ফলে, দলের ক্ষতি হত। কিন্তু আমাদের বারবার বলা হত, অনুশীলন, পরিকল্পনা এবং সম্ভাব্য একাদশ নিয়ে সংবাদমাধ্যম যা যা প্রকাশ করে, সেই সবকিছু ক্লাবের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এই ব্যাখ্যাটা মেনে নেওয়া আমার জন্য অবশ্যই কঠিন হত।"

বিস্ফোরক অস্কারের নিশানায় সেই 'মাস্টার'

উল্টে তিনি বলেছেন, মোহনবাগানকে কখনোই এই পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়নি। বরং, অস্কার এটাই বারবার বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী কর্তা অনবরত ক্লাবের স্বার্থবিরোধী কাজ করে গেছেন।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।