Edmund Lalrindika: সবুজ মেরুন রক্ষণভাগকে কার্যত, একাই শেষ করে দিলেন এডমুন্ড (Edmund Lalrindika)। ঐতিহাসিক কলকাতা ডার্বিতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ডুরান্ড কাপ ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। আর এই জয়ের পিছনে অন্যতম অবদান রয়েছে মাঝমাঠের এই তরুণ তুর্কির।

Edmund Lalrindika: তাঁর তীব্র গতি ছারখার করে দিয়েছে মোহনবাগান ডিফেন্সকে। সবুজ মেরুন রক্ষণভাগকে কার্যত, একাই শেষ করে দিলেন এডমুন্ড(Edmund Lalrindika)। ঐতিহাসিক কলকাতা ডার্বিতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ডুরান্ড কাপ ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। আর এই জয়ের পিছনে অন্যতম অবদান রয়েছে মাঝমাঠের এই তরুণ তুর্কির। ঠিক যেমন খেলা তৈরি করে একাধিক সুযোগ এনে দিলেন, আবার তেমনই নিজে করলেন তিন তিনটি গোল। বড় ম্যাচ, তার উপর আবার ফাইনাল। মুখের কথা নয়! কিন্তু এডমুন্ড সেটাই করে দেখালেন। হ্যাটট্রিক করে দলকে জেতালেন এবং ম্যাচের পর, রীতিমতো খোশমেজাজে দেখা গেল এই তারকা ফুটবলারকে (Durand Cup 2026 Final)।

খোশমেজাজে গোল্ডেন বল জয়ী এডমুন্ড

YouTube video player

Durand Cup 2026 Final: মোহনবাগানের ডিফেন্স নিয়ে ছিনিমিনি! এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক এবং ইস্টবেঙ্গলের ডুরান্ড জয়

ম্যাচের ১২ মিনিটে, প্রথম গোলটি করেন তিনি। যেটি ছিল দলের জন্য দ্বিতীয় গোল। এরপর খেলার ২২ মিনিট এবং ৪৪ মিনিটেও তাঁর পা থেকেই স্কোর করে ইস্টবেঙ্গল। বিধ্বংসী, দুরন্ত এবং বুদ্ধিদীপ্ত গোল করে ইস্টবেঙ্গলকে জয় এনে দিলেন এডমুন্ড। সেইসঙ্গে, অবশ্যই পারফেক্ট ফিনিশ। ডুরান্ড ফাইনালে রবিবার, তাঁর নামের পাশে হ্যাটট্রিক। যুবভারতীতে মোহনবাগানকে হারিয়ে রীতিমতো নায়ক হয়ে উঠলেন তিনি। ম্যাচের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এডমুন্ড জানালেন, “মাঠে নেমে আমরা সবাই নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিয়েছি। আসলে এই ম্যাচে জয় ছাড়া আর কোনও কিছু নিয়েই ভাবিনি। কোচ যেইরকম বলেছিল, আমি ঠিক সেই কাজটাই মাঠে নেমে করেছি। দল জিতেছে, এটাই সবথেকে বেশি তৃপ্তি দিচ্ছে।"

কী খেতে ভালোবাসেন হ্যাটট্রিক বয়? জানলে অবাক হবেন

Durand Cup Final 2026: যুবভারতীতে সবুজ মেরুন বধ! ডুরান্ড জয় ইস্টবেঙ্গলের

তাঁর কথায়, “আসন্ন ব্রাজিল ম্যাচে আমি দলে সুযোগ পাব কিনা, সেটা তো আমার হাতে নেই। তবে অবশ্যই জাতীয় দলের হয়ে নিজের দেশকে সবার সামনে তুলে ধরা অনেক বড় সম্মানের বিষয়। আর আমি চিকেন বিরিয়ানি খেতে খুব ভালোবাসি।" গোল্ডেন বল জয়ী এই তারকা ফুটবলার ম্যাচের পর রীতিমতো খোশমেজাজেই ছিলেন। ট্রফি জয়ের সেলিব্রেশনের সময়, রশিদ এবং অন্যান্যদের সঙ্গে তিনি নাচতে থাকেন। অপরদিকে, আরেক গোলদাতা বিপিন সিং এশিয়ানেট নিউজ বাংলাকে জানালেন, “ট্রফি জিতে দারুণ লাগছে। এত দর্শকের সামনে ডার্বি জিততে পারা এবং সেইসঙ্গে ট্রফি জয়। নিশ্চয়ই একটা দারুণ ব্যাপার। খুব ভালো লাগছে এবং এটা আমার প্রথম ডুরান্ড কাপ জয়।" মহম্মদ রশিদ বললেন, “অসাধারণ মুহূর্ত, ভীষণ খুশি।" সৌভিক চক্রবর্তীর কথায়, “মোহনবাগানকে হারিয়ে ট্রফি জিততে পারা সবসময়ই আনন্দের। খুব খুশি আমি।"

অন্যদিকে, এই টুর্নামেন্টের গোল্ডেন গ্লাভস জিতলেন মোহনবাগান গোলকিপার ভিশাল কেইথ এবং গোল্ডেন বুট পেলেন নর্থইস্ট ইউনাইটেড ফুটবলার আলাদিন আজারাই।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।