England vs Ghana: ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারতীয় সময় মঙ্গলবার মধ্যরাতে, বোস্টন স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় ইংল্যান্ড বনাম ঘানা (england vs ghana)। নিঃসন্দেহে এটি গ্রুপ এল-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ ছিল। তবে সেই ম্যাচে ঘানার অপ্রতিরোধ্য ডিফেন্সের কাছে আটকে গেল ইংল্যান্ড। ম্যাচ ড্র হল গোলশূন্য অবস্থায়। কার্যত, ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলকে রুখে দিল ঘানা।
England vs Ghana: ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারতীয় সময় মঙ্গলবার মধ্যরাতে,বোস্টন স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় ইংল্যান্ড বনাম ঘানা (england vs ghana)। নিঃসন্দেহে এটি গ্রুপ এল-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ ছিল। তবে সেই ম্যাচে ঘানার অপ্রতিরোধ্য ডিফেন্সের কাছে আটকে গেল ইংল্যান্ড। ম্যাচ ড্র হল গোলশূন্য অবস্থায়। কার্যত, ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলকে রুখে দিল ঘানা (England vs Ghana World Cup 2026)।

ম্যাচের শুরু থেকেই তুমুল আক্রমণ শুরু করে ইংল্যান্ড। লাগাতার অ্যাটাক তুলে আনতে শুরু করেন অ্যান্থনি গর্ডন, এজরি কনসা, হ্যারি কেন, মাদুয়েকে এবং জুড বেলিংহ্যামরা। আর ঠিক ততটাই সজাগ ছিলেন ঘানার রক্ষণভাগের ফুটবলাররা। এই ম্যাচে ঘানা ৫-৪-১ ফর্মেশনে মাঠে নামে। ওপোকু, মেনশাহ, আজেটি, সেনায়া এবং ইয়েরেনকিরা রুখে দিচ্ছিলেন ইংল্যান্ডের সমস্ত আক্রমণ।

ঘানার অপ্রতিরোধ্য ডিফেন্সে আটকে গেল শক্তিশালী ইংল্যান্ড
কার্যত, ইংল্যান্ডের আক্রমণভাগ বনাম ঘানার ডিফেন্স, এই হল পুরো খেলার সারমর্ম। রীতিমতো দুর্ভেদ্য ডিফেন্স। যা ভেদ করে গোল করতে পারল না শক্তিশালী ইংল্যান্ড। ম্যাচের ১৪ মিনিটেই, গোল পেতে পারত ইংল্যান্ড। বক্সের বাইরে ফ্রি-কিক থেকে নেওয়া ডেক্লান রাইসের ডান পায়ের শটটি বাইরে দিয়ে উড়ে চলে যায়। এরপর ১৫ মিনিটের মাথায়, অ্যান্থনি গর্ডনের অ্যাসিস্ট থেকে বল পেয়ে সুযোগ নষ্ট করেন এলিয়ট অ্যান্ডারসন।

৩৩ মিনিটে, মিস করেন জুড বেলিংহ্যাম। ম্যাচের ৩৭ মিনিটে, ননি মাদুয়েকের ক্রস থেকে আসা বলে হেড করেন ডেক্লান রাইস। তবে এক্ষেত্রেও গোল আসেনি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার কয়েক মুহূর্ত আগে হ্যারি কেনের শট ব্লক হয় ঘানা ডিফেন্সে। তবে বেশ কয়েকবার ভালো কাউন্টার অ্যাটাক তুলে আনে ঘানা। শেষপর্যন্ত, গোলশূন্য অবস্থায় শেষ হয় প্রথমার্ধ।
দ্বিতীয়ার্ধে কিন্তু ঘানাকে বেশ সপ্রতিভ লাগছিল। খেলার ৪৯ মিনিটে, একটি ভালো আক্রমণ তুলে আনে তারা। বক্সের ডানদিক থেকে মারভিন সেনায়ার ডান পায়ের শট প্রতিহত হয়। এই আক্রমণটি তৈরির ক্ষেত্রে অ্যাসিস্ট করেন ওপোকু। ৫৬ মিনিটের মাথায়, বক্সের বাঁদিক থেকে ইংল্যান্ড ফরোয়ার্ড অ্যান্থনি গর্ডনের ডান পায়ের শট রুখে দেন ঘানার গোলকিপার বেঞ্জামিন আসারে।
আক্রমণের ঝড় তুলেও কোনও লাভ হল না, গোলশূন্য ড্র
ম্যাচের ৫৭ মিনিটে, ননি মাদুয়েকের শটও প্রতিহত হয়। তারপর ৬১,৬২ এবং ৬৩ মিনিটে, সুযোগ নষ্ট করেন এলিয়ট অ্যান্ডারসন। ৬৫ মিনিটে, ইংল্যান্ড দলে একটি পরিবর্তন আসে। অ্যান্টনি গর্ডনের পরিবর্তে মাঠে নামেন বুকায়ো সাকা। এরপর জেড স্পেন্সের বদলে আসেন নিকো ও'রেইলি। অপরদিকে, ঘানা দলেও পরিবর্তন আসে। ইনাকি উইলিয়ামসের জায়গায় আবদুল ফাতাউ এবং জর্ডান আয়েউয়ের জায়গায় প্রিন্স আদু খেলতে নামেন।
![]()
খেলার ৭০ মিনিটে, বুকায়ো সাকার হেডার বাইরে দিয়ে উড়ে চলে যায়। ফের ইংল্যান্ডের প্রথম একাদশে দুটি বদল আনেন কোচ থমাস টুখেল। এলিয়ট অ্যান্ডারসনের পরিবর্তে মাঠে নামেন এবেরেচি এজে এবং জুড বেলিংহ্যামের পরিবর্তে মাঠে আসেন মরগ্যান রজার্স। ৮৩ মিনিটে, ননি মাদুয়েকের পরিবর্তে মাঠে আসেন মার্কাস র্যাশফোর্ড।
এরপর খেলার ৮৬ মিনিটে, বুকায়ো সাকার বাঁ পায়ের শট ফের সেভ করেন ঘানার গোলকিপার বেঞ্জামিন আসারে। তার কয়েক মুহূর্ত বাদেই নিকো ও'রেইলির হেডার পোস্টে লাগে। হ্যারি কেনও শট বাইরে উড়িয়ে দেন। শেষদিকে লাগাতার অ্যাটাক করেই কাজের কাজ করতে পারনি ইংল্যান্ড। সিবো এবং সেমেনিওরা আটকে দেন ইংল্যান্ডের সমস্ত জারিজুরি। শেষপর্যন্ত, গোলশূন্য ড্র হয় এই ম্যাচ।

নিঃসন্দেহে একটা কথা বলতেই হয়। ঘানা কোচ কার্লোস কুইরোজের পরিকল্পনার কাছে হার মানেলন ইংল্যান্ড কোচ।
ফুটবল বিশ্বকাপের সব খবর সব আগে, শুধুমাত্র এশিয়ানেট নিউজ বাংলায়।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।