গত ম্যাচে একটি বাজি হয় পোলিশ গোলকিপার ওয়েসেক স্কেসনে ও আর্জেন্টিনীয় ফুটবলার লিওনেল মেসির মধ্যে। ম্যাচের ৩৮ মিনিটের মাথায় একটি ফাউল করেন স্কেসনে। পোল্যান্ডের বক্সে হেড করতে যান মেসি, এমন সময়ই একটি ফাউল করেন গোলকিপার।

মেসির বাঁ পায়ের জাদুকে ব্যর্থ করে পেনাল্টি আটকালেও লিও সঙ্গে ধরা বাজি হেরে যান পোলিশ গোলকিপার ওয়েসেক স্কেসনে। পোল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২-০ ব্যবধানে জেতে আর্জেন্টিনা। এই জয়ের সঙ্গে সঙ্গেই নক-আউটেও পৌঁছে যায় মেসিরা। কিন্তু পোল্যান্ডকে হারাকেও পোলিশ গোলরক্ষের দাপটে একপ্রকার নাজেহালই হতে হল নীল-সাদা জার্সিধারীদের। মেসির পেনাল্টি শট-সহ একের পর এক শট আটকে যায় স্কেসনের দস্তানায়। আর্জেন্টিনার কাছে হারলেও পোল্যান্ডের গোলকিপারের দক্ষতায় সারা পড়ে গিয়েছে বিশ্বের ফুটবল প্রেমীদের মধ্যে। অথচ এই ম্যাচেই মেসির কাছে বাজি হেরে একশো ইউরো খোয়ালেন স্কেসনে। কী এমন বাজি হয়েছিল দুই ফুটবলারের মধ্যে?

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

গত ম্যাচে একটি বাজি হয় পোলিশ গোলকিপার ওয়েসেক স্কেসনে ও আর্জেন্টিনীয় ফুটবলার লিওনেল মেসির মধ্যে। ম্যাচের ৩৮ মিনিটের মাথায় একটি ফাউল করেন স্কেসনে। পোল্যান্ডের বক্সে হেড করতে যান মেসি, এমন সময়ই একটি ফাউল করেন গোলকিপার। গোটা ঘটনায় নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলেও ভারের সাহায্যে পেনাল্টি দেয় রেফারি। ফের একবার বল সাজিয়ে তৈরি লিওনেল মেসি। ফের একবার মেসি ম্যাজিক দেখতে প্রস্তুত সকলে। কিন্তু স্কেসনের দাপটে আটকে যায় গোল। মুহূর্তে থমথমে গোটা স্টেডিয়াম। তবে গোল রুখতে পারলেও মেসির সঙ্গে বাজিতে হেরে যান স্কেসনে। তিনি জানিয়েছেন রেফারি যখন রিপ্লে দেখতে ব্যস্ত ছিলেন তখন মেসি স্কেসনের মধ্যে একশো ইউরোর বাজি হয়। স্কেসনে বলেছিলেন কিছুতেই ফাউলের জন্য পেনাল্টি দেবেন না রেফারি। কিন্তু রেফারির সিদ্ধান্তের পর মেসির কাছে সেই বাজি হেরে যান স্কেসনে।

ম্যাচের শুরু থেকেই গোলের লক্ষ্যে আক্রমণে ঝাঁপান মেসিরা। ৬ মিনিটের মাথায় বিপক্ষ গোল লক্ষ্য করে প্রথম শট নেন মেসি। যদিও সেই শটে তেমন জোর ছিল না। এরপর ৮ মিনিটের মাথায় একটি শট নেন অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। তাঁর সেই শট একেবারেই দুর্বল ছিল। ১০ মিনিটের মাথায় ফের শট নেন মেসি। এবার সেভ করে দেন পোলিশ গোলকিপার। ১২ মিনিটের মাথায় একটি দুর্দান্ত দলগত আক্রমণ করে আর্জেন্টিনা। কিন্তু সেই আক্রমণ থেকেও গোল হয়নি। ১৭ মিনিটে অ্যাকুনার উদ্দেশে বল বাড়ান মেসি। কিন্তু অ্যাকুনার শট বাইরে চলে যায়। এই ম্যাচের ৩০ মিনিটের মধ্যেই পোল্যান্ডের গোল লক্ষ্য করে ৭টি শট মারে আর্জেন্টিনা। ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপের পর থেকে এই ম্যাচের আগে পর্যন্ত কোনও দল প্রথমার্ধে বিপক্ষের গোল লক্ষ্য করে এত শট মারতে পারেনি।