জমে উঠেছে বিশ্বকাপ ফাইনাল। ফ্রান্সের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই দুর্দান্ত খেলছে আর্জেন্টিনা।

বিশ্বকাপ ফাইনালে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে প্রথমার্ধের শেষে ২-০ গোলে এগিয়ে আর্জেন্টিনা। ২৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে প্রথম গোল করেন লিওনেল মেসি। এরপর ৩৬ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করেন অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। প্রথম থেকেই অসাধারণ ফুটবল খেলছে আর্জেন্টিনা। মেসিদের সঙ্গে এঁটে উঠতে পারছেন না কিলিয়ান এমবাপেরা। আর্জেন্টিনা যে গতিতে আক্রমণ করছে, সেটা সামাল দিতে পারছে না ফ্রান্সের রক্ষণ। বাধ্য হয়ে প্রথমার্ধেই জোড়া পরিবর্তন করেছেন ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশঁ। ৪১ মিনিটে উসমানে ডেম্বেলের পরিবর্তে মাঠে নামানো হয়েছে র‍্যান্ডাল কোলো মুয়ানিকে। একইসঙ্গে অলিভিয়ের জিরুর বদলে মাঠে নামানো হয়েছে মার্কাস থুরামকে। তাঁর বাবা লিলিয়ান থুমার ১৯৯৮ সালে ফ্রান্সের প্রথম বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন। বাবা ও ছেলের বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলা বিরল ঘটনা। এদিন অসাধারণ নজির গড়লেন থুরাম। কিন্তু তাঁর দল একেবারেই ভাল খেলতে পারছে না। ফলে নজির গড়েও স্বস্তিতে নেই থুরাম।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এদিনের ম্যাচের শুরু থেকেই আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের অনেক বেশি উজ্জীবিত লাগছে। গতবারের চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স ছন্নছাড়া ফুটবল খেলছে। এমবাপে প্রথমার্ধে বিশেষ বলই পাননি। তাঁকে সাহায্য করতে পারছেন না মিডফিল্ডাররা। জিরুও খুব একটা ভাল খেলতে পারছিলেন না। সেই কারণেই তাঁকে তুলে নিলেন দেশঁ। তবে ফ্রান্সের সবচেয়ে বেশি সমস্যা হচ্ছে রক্ষণে। বিশেষ করে রাইট ব্যাক পজিশনে সমস্যা হচ্ছে ফ্রান্সের। আর্জেন্টিনার লেফট উইং দিয়ে ডি মারিয়া অনায়াসে আক্রমণ করছেন। এই আক্রমণ সামাল দিতে পারছে না ফরাসি রক্ষণ।

এদিন ডি মারিয়াকে আটকাতে গিয়েই আর্জেন্টিনাকে পেনাল্টি উপহার দেয় ফ্রান্স। জুলিয়ান আলভারেজের কাছ থেকে বল পেয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন ডি মারিয়া। পিছন থেকে তাঁকে ল্য়াং মেরে ফেলে দেন ডেম্বেলে। সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির নির্দেশ দেন রেফারি। মেসি গোল করতে ভুল করেননি। এরপর নিজেই গোল করেন ডি মারিয়া। কাউন্টার অ্যাটাকে দ্বিতীয় গোল পায় আর্জেন্টিনা। ম্যাক অ্যালিস্টারের মাইনাস নিজে না ধরে ডি মারিয়ার জন্য ছেড়ে দেন মেসি। বাঁ পায়ের অসাধারণ প্লেসিংয়ে জালে বল জড়িয়ে দেন ডি মারিয়া। 

পরপর ২ বার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে এদিন ফাইনাল খেলতে নামে ফ্রান্স। কিন্তু প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনা যে ফুটবল খেলল, তাতে ৩৬ বছর পর মেসিদের তৃতীয় বিশ্বকাপ খেতাব জেতা এখন সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে হচ্ছে।

আরও পড়ুন-

হাওড়ায় বসে মারাদোনা ও মেসিকে নিয়ে গান বাঁধলেন বাংলার প্রাক্তন ফুটবলার

মন বলছে মেসি কিন্তু এমবাপের খেলা দেখতেও ভাল লাগে, বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বললেন শাহরুখ

গতবার রানার্স হওয়ার পর এবার তৃতীয়, বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার অসাধারণ পারফরম্যান্স অব্যাহত