নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে অধিনায়ক মহেশ ভূপতি ও দেশের এক নম্বর সিঙ্গেলসে খেলোয়াড় রোহন বোপান্না সহ কার্যত গোটা ভারতীয় দল ডেভিস কাপের ম্যাচ খেলতে পাকিস্তান যাওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। খেলোয়াড়রা চিঠি দিয়ে অল ইন্ডিয়া টেনিস অ্যাসোসিয়েশনকে নিজেদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন। সেই চিঠির সুত্র ধরে এআইটিএ অন্তর্জাতিক টেনিস সংস্থার কাছে ভেনু পরিবর্তনের আবেদন জানিয়েছে। নভেম্বরের চার তারিখ সেই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে টেনিসের আন্তর্জাকি সংস্থা। এখন প্রশ্ন অন্তর্জাতিক সংস্থা যদি ম্যাচের স্থান বদলায় তাহলে কি হবে? 

আরও পড়ুন - হায়দরাবাদ ম্যাচ অতীত, ফোকাস এবার চেন্নাই ম্যাচে, বড় জয়ের পর মন্তব্য এটিকে কোচের

এই পরিস্থিতেই বিকল্প ভাবনা তৈরি অল ইন্ডিয়া টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের। যে সব খেলোয়াড়রা পাকিস্তান যেতে অনিচ্ছুক তাঁদের বাদ দিয়ে নতুন দল তৈরি করে ফেলেছে এআইটিএ। আর এই দ্বিতীয় পরিকল্পনাতেই লিয়েন্ডার পেজের ভারতীয় দলে ফেরার রাস্তা পাকা। যদি চার তারিখ আন্তর্জাতিক টেনিস সংস্থা ভেনু পরিবর্তনের দাবি অস্বিকার করে তাহলে লিয়েন্ডার সহ নতুন দলকে পাকিস্তান পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তাই গোটা দলের জন্য ভিসা প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়েছে। 

আরও পড়ুন - আবার ব্যর্থ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, ফরাসি ওপেন থেকেও বিদায় সিন্ধুর, হার সাইনারও

৪৬ বছরের লিয়েন্ডার ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে চায়নার বিরুদ্ধে শেষ ডেভিস কাপের ম্যাচ খেলেছেন। এবার পাকিস্তান যাওয়ার প্রস্তাব দিতেই তিনি রাজি হয়েছেন। তাই আপাতত কিছুটা নিশ্চিন্ত এআইটিএ। এমন কি লিয়ান্ডারকে অধিনায়ক করার ভাবনাও করে রাখা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন যদি ভারতের দাবি মেনে আন্তর্জাতিক সংস্থা পাকিস্তানের ইসলামাবাদ থেকে ম্যাচ সিরয়ে দেয় তাহলে কি হবে? ভারতীয় টেনিস সংস্থা সুত্রের খবর, তাহলে বোপানান ভূপতি সহ গোট দলকেই আবার ফিরিয়ে আনা হবে। বাতিল করে দেওয়া হবে লিয়েন্ডারদের নিয়ে তৈরি হওয়া প্ল্যান বি। তাহলে কেন এত তারাতারি লিয়েন্ডারদের নাম ভিসার জন্য পাঠানো হল? এআইটিএর বক্তব্য, ম্যাচ যদি ইসলামাবাদেই হয় তাহলে ভিসা প্রক্রিয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যাবে না। তাই আগে থেকেই প্ল্যান বি তৈরি করে রাখছেন তাঁরা। এখন দেখার লিয়েন্ডার না মহেশ কে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন। সবটাই নির্ভর করছে ৪ তারিখ আন্তর্জাতিক টেনিস সংস্থা কী সিদ্ধান্ত জানায় তার ওপর।  

আরও পড়ুন - ৩০ নভেম্বর শুরু আইলিগ, শেখ কামাল কাপের সেমিফাইনালে মোহনবাগান