বয়স ৩৭ পেরিয়েছে। তারপরও ধার এতটুকু কমেনি। এখনও প্রতিপক্ষকে নকআউট করতে সিদ্ধহস্তক ৬ বারের বিশ্বজয়ী বক্সার মেরি কম। এবার পাকা করে ফেললেন টোকিও অলিম্পিকের টিকিটও। জর্ডনের রাজধানী আম্মানে বাছাই পর্বের কোয়ার্টার ফাইনালে জিতে অলিম্পিকের ছাড়পত্র পেলেন মেরি। ৫১ কেজি বিভাগের শেষ আটের লড়াইয়ে ফিলিপিন্সের আইরিশ ম্যাগনোকে হারিয়ে প্রতিযোগিতার শেষ চারেও পৌছে গেলেন তিনি। মেরি ছাড়াও অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জন করেছেন আরও দুই বক্সার সিমরনজিৎ কৌর ও পুরুষ বিভাগের অমিত পাঙ্ঘল।

আরও পড়ুনঃহোলিতে রঙিন ক্রিকেটাররা, সোশাল মিডিয়ায় সকলকে শুভেচ্ছা বার্তা সচিন, বিরাট, গব্বরদের

আরও পড়ুনঃপ্রথম দিন থেকেই বল গড়াচ্ছে, অরুণলাল দুষলেন পিচের চরিত্রকে

মহিলা বক্সিং জগতে ম্যাগনো বিখ্যাত তার অ্যাটাকিং খেলার জন্য। কিন্তু ৬ বারের বিশ্বজয়ী মেরির কাছে প্রথম থেকেই দাঁড়াতে পারেননি ম্যাগনো। প্রথম রাউন্ড থেকেই ম্যাগনোর আক্রমণের প্রতি আক্রমণ করে বিপক্ষকে কোণঠাসা করে দেন মেরি।  ফলে খাতায় খুলতে পারেননি ম্যাগনো। ৫-০ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে নেন লন্ডন অলিম্পিকের ব্রোঞ্জ জয়ী বক্সার। মেরির সাফল্যের খবর ছড়িয়ে পড়তেই উচ্ছ্বসিত দেশবাসী। মেরিকে ট্যুইটারে শুভেচ্ছা জানিয়ছেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। তিনি লিখেছেন, 'ভারতের জন্য ঐতিহাসিক মুহূর্ত। কিংবদন্তী ভারতীয় বক্সার টোকিও অলিম্পিকের জন্য যোগ্যতা অর্জন করলেন। দারুণ জয় অভিনন্দন'।

 

 

শুভেচ্ছা পেয়ে কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রীকে পালটা ট্যুইট করে প্রতিক্রিয়া জানান মেরি কম। প্রতিক্রিয়ায় মেরি জানিয়েছেন, 'অপমানই কৃতিত্বের সিঁড়ি তৈরি করে।' সেমিফাাইনালে মেরির প্রতিপক্ষ চিনের ইউয়ান চ্য়াং। অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জনের পর আম্মানে সেমিফাইনালেও ভাল ফলের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী মেরি।

 

 

অপরদিকে মেরি ছাড়াও ৬০ কেজির মহিলা বক্সিং বিভাগে অলিম্পিকের যোগ্য অর্জন করলেন সিমরনজিৎ কৌর।যোগগ্যতা অর্জন পর্বের কোয়ার্টার ফাইনালে মঙ্গোলিয়ার নামউন মনখোরের বিরুদ্ধে ৫-০ ব্যবধানে জেতেন সিমরনজিৎ। পাশাপাশি ছেলেদের ৫২ কেজি বিভাগে ফিলিপিন্সের কার্লো পালামকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়ে টোকিও টিকিট পাকা করলেন অমিত পাঙ্ঘল। বাছাই পর্বের প্রতিযোগিতায় এর আগে আরও ৫ জন বক্সার অলিম্পিকে যাওয়ার ছাড়পত্র পেয়েছেন। এবার মেরি, সিমরনজিৎ, অমিতদের যোগ্যতা অর্জনের পর সংখ্যাা দাঁড়াল ৮। 

আরও পড়ুনঃ করোনা আতঙ্কের জের, ভারত সফরে হাত মেলাবেন না প্রোটিয়া ক্রিকেটাররা