Pratik Mondal Referee: এশিয়ানেট নিউজ বাংলার সঙ্গে এক্সক্লিউসিভ সাক্ষাৎকারে কী জানালেন তরুণ রেফারি প্রতীক? কলকাতা ফুটবল লিগ, আই লিগ, সুপার কাপ এবং আইএসএল সহ একাধিক হেভিওয়েট প্রতিযোগিতায় ম্যাচ পরিচালনা করিয়েছেন। তবে এবার আর ফুটবলের মাঠে নয়, পুরোপুরি রাজনীতির ময়দানে নামলেন বাঙালি রেফারি প্রতীক মণ্ডল।
Pratik Mondal Referee: মুখে বাঁশি এবং হাতে কার্ড। কলকাতার ময়দান কিংবা ভারতের অন্য কোনও মাঠে, তিনি অত্যন্ত পরিচিত মুখ। কলকাতা ফুটবল লিগ, আই লিগ, সুপার কাপ এবং আইএসএল সহ একাধিক হেভিওয়েট প্রতিযোগিতায় ম্যাচ পরিচালনা করিয়েছেন। তবে এবার আর ফুটবলের মাঠে নয়, পুরোপুরি রাজনীতির ময়দানে নামলেন (west bengal assembly election 2026) বাঙালি রেফারি প্রতীক মণ্ডল। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে আইএসএফ প্রার্থী (isf pratik mondal) হিসেবে মিনাখাঁ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে লড়বেন তিনি। এশিয়ানেট নিউজ বাংলার সঙ্গে এক্সক্লিউসিভ সাক্ষাৎকারে কী জানালেন তরুণ রেফারি প্রতীক?
প্রশ্নঃ ফুটবলের রেফারি জগৎ থেকে সোজা রাজনীতির ময়দান?
প্রতীকঃ “কিছু জিনিস তো কাউকে প্রথম শুরু করতে হয়। আমাকে দিয়েই না হয় এক্ষেত্রে শুরু হল। আগামীদিনে নিশ্চয়ই আরও নতুন কাউকে দেখতে পাবেন।"
প্রশ্নঃ আইএসএল-এর ম্যাচে ইন্টার কাশী কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসকে রেড কার্ড দেখানোর পর, নির্বাচনে কাদের রেড কার্ড দেখাবেন?
প্রতীকঃ “এই নির্বাচনে আমি রেড কার্ড দেখানোর কেউ নয়। এখানে মানুষই হল রেফারি। মানুষের হাতে কার্ড। তারাই ঠিক করবে কাকে রেড দেখাবে, কাকে ইয়েলো দেখাবে, কাকে গ্রিন দেখাবে।"
প্রশ্নঃ আইএসএফ-কে কেন বেছে নিলেন?
প্রতীকঃ “প্রথমত একটা কথা বলতেই হয়। ব্যক্তিগতভাবে এবং দীর্ঘদিন ধরে ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের চেয়ারম্যান নওশাদ সিদ্দিকির নীতিকে আমি পছন্দ করি। ওনার আদর্শ, কথাবার্তা, মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা, এই বিষয়গুলো আমার বেশ ভালো লাগে। একটা সুস্থ সমাজের জন্য উনি লড়াই করছেন। এই জায়গাটাই আমাকে উদ্বুদ্ধ করেছে। আমি ওনাকে ফলো করতাম। সেই ভালোলাগার জায়গা থেকেই যখন আমার কাছে প্রস্তাব আসে, আমি আর ফেরাইনি।"
প্রশ্নঃ প্রচারে কেমন সাড়া পাচ্ছেন?
প্রতীকঃ “বুথ লেভেলের কর্মীদের সঙ্গে আলাপ হয়েছে। প্রথমদিন আমরা ভেবেছিলাম কয়েকজন আসবে। কিন্তু পরে দেখলাম, বিপুল মানুষ। হটাৎ পুরো জনসভার মতো পরিস্থিতি। এবার প্রচার শুরু হবে জোরকদমে। আশা করি বুঝতে পারছেন, মানুষ কতটা স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে আসছেন। আসলে মিনাখাঁর মানুষ চাইছে যে, একটা পরিবর্তন আসুক।"
প্রশ্নঃ রাজনীতির ময়দান এবং ফুটবল মাঠ, ব্যালেন্স কীভাবে করবেন?
প্রতীকঃ “এটা আমার কাছে একটা নতুন চ্যালেঞ্জ। রেফারি হিসেবে যখন ম্যাচ পরিচালনা করি, সেটাও একটা চ্যালেঞ্জ। প্রত্যেক মানুষের জীবনেই চ্যালেঞ্জ থাকে। আমি রোজকার একটা শিডিউল করে নিয়েছি। প্রচার শেষ হলেই আমি বাড়ি ফিরে ওয়ার্ক আউট বজায় রাখছি। এইভাবেই নিজেকে ফিট রাখব। আমরা মাঠের লোক, ফলে চ্যালেঞ্জ নিতে তৈরি। তাই ফুটবল মাঠ থেকে সরে আসার কোনও জায়গা নেই। কিন্তু মিনাখাঁর মানুষ যদি আমাকে বিধানসভায় চায়, তখন তাহলে তাদের চাওয়াকে মান্যতা দিয়ে আমাকে অন্যরকম কিছু ভাবতে হবে।"
সবমিলিয়ে, প্রতীক বেশ খোশমেজাজেই পা রাখলেন রাজনীতিতে। তবে তাঁর মন জুড়ে অবশ্যই আছে ফুটবল এবং সবুজ মাঠ।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।